সাইন আপ করুন সাইন আপ করুন

সাইন আপ করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে


আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

লগ ইন করুন লগ ইন করুন

লগিন করুন

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

কোন একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন

রিসেট পাসওয়ার্ড

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন? আপনার ইমেইল এড্রেস দিন। ইমেইলের মাধ্যমে আপনি নতুন পাসওয়ার্ড তৈরির লিংক পেয়ে যাবেন।

আগে থেকেই একাউন্ট আছে? এখনি লগ ইন করুন

দুঃক্ষিত, প্রশ্ন করার অনুমতি আপনার নেই, প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে.

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

প্রশ্ন করার জন্য অবশ্যই আপনাকে লগ ইন করতে হবে।

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

দুঃক্ষিত, ব্লগ লেখার অনুমতি আপনার নেই। লেখক হতে হলে addabuzzauthor@gmail.com ঠিকানায় মেইল পাঠিয়ে অনুমতি নিন। (Sorry, you do not have permission to add post. Please send a request mail to addabuzzauthor@gmail.com for giving permission.)

জিমেইল থেকে লগইন করুন
অথবা আড্ডাবাজ একাউন্ট থেকে

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?

একাউন্ট নেই? এখানে সাইন আপ করুন

আপনি কেন মনে করছেন এই প্রশ্নটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই উত্তরটি রিপোর্ট করা উচিৎ?

আপনি কেন মনে করছেন এই ব্যক্তিকে রিপোর্ট করা উচিৎ?

সাইন ইনসাইন আপ

AddaBuzz.net

AddaBuzz.net Logo AddaBuzz.net Logo

AddaBuzz.net Navigation

  • হোমপেজ
  • ব্লগ
  • ইউজার
  • যোগাযোগ
সার্চ করুন
একটি প্রশ্ন করুন

Mobile menu

Close
একটি প্রশ্ন করুন
  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

ashad khandaker

সবজান্তা
প্রশ্ন করুন ashad khandaker
526 বার প্রদর্শিত
2 ফলোয়ার
2,496 প্রশ্ন
হোমপেজ/ ashad khandaker/উত্তর
অ্যাপ ইন্সটল করুন
  • সম্পর্কিত
  • প্রশ্ন
  • উত্তর
  • অনুরোধের প্রশ্ন
  • সেরা উত্তর
  • পছন্দ তালিকা
  • ফলোকৃত প্রশ্ন
  • ফলোয়ার
  • ফলো করছেন
  • জরিপ
  • ব্লগ
  • ব্লগ মন্তব্য
  • ফলোকৃতদের প্রশ্ন
  • ফলোকৃতদের উত্তর
  • ফলোয়ারদের ব্লগ
  • ফলোকৃত/ফলোয়ারদের ব্লগ মন্তব্য
  1. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ বিনোদন

    অবরোধ হরতালের সুফল কি কি ?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    হরতালের যেমন কুফল আছে তেমনি আছে নানান সুফলও। জেনে নিন এমন কিছু সুফল। ১# হরতাল আপনাকে সুযোগ করে দেবে ফাঁকা রাস্তায় গিয়ে আরাম-আয়েশে কবিতা ও গান লেখার। তবে টিয়ার গ্যাস আর পিকেটারদের থেকে সাবধান। ২# হরতালের সময়  ফাঁকা রাস্তায় টিকটিক করে হয়ে যেতে পারেন টিকটিক স্টার। ৩# বাংলাদেশের ঐতিহ্য রাস্তার ক্রিকেবিস্তারিত পড়ুন

    হরতালের যেমন কুফল আছে তেমনি আছে নানান সুফলও। জেনে নিন এমন কিছু সুফল।

    ১# হরতাল আপনাকে সুযোগ করে দেবে ফাঁকা রাস্তায় গিয়ে আরাম-আয়েশে কবিতা ও গান লেখার। তবে টিয়ার গ্যাস আর পিকেটারদের থেকে সাবধান।

    ২# হরতালের সময়  ফাঁকা রাস্তায় টিকটিক করে হয়ে যেতে পারেন টিকটিক স্টার।

    ৩# বাংলাদেশের ঐতিহ্য রাস্তার ক্রিকেট খেলে আপনিও করতে পারেন সেঞ্চুরি। নিজেকে প্রস্তুত করে সুযোগ নিতে পারেন জাতীয় দলে।

     ৪# ভিআইপি মুভমেন্টের জ্বলায় বিরক্ত হয়ে থাকলে হরতালের দিন আপনি নিজেই নিতে পারেন ভিআইপি ফিল।

    ৫# অন্যান্য দিন গুগল ম্যাপে ট্রাফিক দেখে আপনি ভয় পেলেও হরতালের দিনে এমন ভয় নেই। এইদিন গুগল ম্যাপ জুড়ে থাকে সবুজ, শ্যাওলা দেশ। দেখে নিন প্রাণ ভরে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  2. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

    অবরোধের সময় আমরা কি কি করতে পারি?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে
    উত্তরটি এডিট করা হয়েছে।

    বাংলাদেশে এখন চলছে হরতাল/অবরোধ সিজন। সপ্তাহে প্রায় প্রতিদিনই আমরা ছোঁয়া পাচ্ছি তাদের। তবে, শুধু ছোঁয়া পেলেই হবে না। আমাদের নিজেদেরও কিছু দায়িত্ব কর্তব্য আছে। আসুন জেনে নেই কী এই দায়িত্ব কর্তব্যগুলো। ১# বাসা থেকে বের হওয়ার আগে দুই লিটার পানির বোতল নিয়ে বের হবেন। এক লিটার পানি আপনি নিজে খাবেন বাকি একবিস্তারিত পড়ুন

    বাংলাদেশে এখন চলছে হরতাল/অবরোধ সিজন। সপ্তাহে প্রায় প্রতিদিনই আমরা ছোঁয়া পাচ্ছি তাদের। তবে, শুধু ছোঁয়া পেলেই হবে না। আমাদের নিজেদেরও কিছু দায়িত্ব কর্তব্য আছে। আসুন জেনে নেই কী এই দায়িত্ব কর্তব্যগুলো।

    ১#

    বাসা থেকে বের হওয়ার আগে দুই লিটার পানির বোতল নিয়ে বের হবেন। এক লিটার পানি আপনি নিজে খাবেন বাকি এক লিটার আগুন লাগা বাসকে খাওয়াবেন। চাইলে আপনি এক লিটার না খেয়ে সেটাও বাসকে খাওয়াতে পারেন। কারণ আপনার থেকে তার পানির দরকার বেশি।

    ২#

    বাসা থেকে বের হওয়ার আগে অবশ্যই ফোনের সবধরনের লক আনলক করে বের হবেন। রাস্তায় আপনাকে পুলিশ আটকাবে, আপনি লক খুলবেন, তারপর মোবাইল দেখবে। এতে অনেক সময় লস হবে। লক খোলা থাকলে ওই একই সময়ে ৩টা মোবাইল চেক করতে পারবে।

    ৩#

    বাসা থেকে বের হওয়ার আগে কোথায় যাচ্ছেন, কেন যাচ্ছেন, কার জন্য যাচ্ছেন, আপনার পরিচয় কী, এগুলো রেকর্ড করে নিয়ে নেবেন। জায়গায় জায়গায় বলার থেকে রেকর্ড চালিয়ে ফেলা উত্তম।

    ৪#

    অবরোধ ঠিকঠাকভাবে হচ্ছে কিনা জানার জন্য একটু পর পর আশেপাশের বিভিন্ন এলাকায় ঢুঁ মেরে আসবেন। তারপর এসে ফেসবুকে পোস্ট করে জানাবেন, ‘জিগাতলায় অবরোধ নেই, আপনার এলাকার কী খবর?’

    ৫#

    আগেই ৪টা/৫টা ম্যারাথনে অংশ নিয়ে দৌড়ে আসবেন। কারণ বাইরে বের হলে কখন কোন দলের ধাওয়া পালটা ধাওয়া শুরু হয়ে যায় বলা যায় না।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  3. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

    কাপলদের জন্য কিছু মজার শীতকালীন টিপস কি হতে পারে?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    এসে গেছে শীতকাল। সিঙ্গেলদের জন্য নতুন কোনো সমস্যার উদ্রেক না করলেও কাপলদের জন্য নিত্য নতুন সমস্যা নিয়ে আসার জন্য বিখ্যাত এই ঋতু। ফ্যান চালাতে না পারার কারণে ফোনে কথা বলা থেকে শুরু করে একসাথে ঘুমানো সব ক্ষেত্রেই আসে প্রতিকূলতা। তাই আজকের আয়োজনে আমাদের কাপল পাঠকদের জন্য থাকছে কিছু শীতকালীন টিপস।বিস্তারিত পড়ুন

    এসে গেছে শীতকাল। সিঙ্গেলদের জন্য নতুন কোনো সমস্যার উদ্রেক না করলেও কাপলদের জন্য নিত্য নতুন সমস্যা নিয়ে আসার জন্য বিখ্যাত এই ঋতু। ফ্যান চালাতে না পারার কারণে ফোনে কথা বলা থেকে শুরু করে একসাথে ঘুমানো সব ক্ষেত্রেই আসে প্রতিকূলতা। তাই আজকের আয়োজনে আমাদের কাপল পাঠকদের জন্য থাকছে কিছু শীতকালীন টিপস।

     

    ১) প্রথম টিপসটি সদ্য সম্পর্কে যাওয়া প্রেমিক প্রেমিকাদের জন্য, যারা প্রতি রাত ফুসুর ফুসুর করে কথা বলা ছাড়া থাকতেই পারেন না। প্রেমিকার বাসায় আবার জানাজানি হলেও প্যারা । তাহলে শীতকালে কী করবেন? কাজটি বেশ সহজ। বাতাস দিবে না, কিন্তু শুধু শব্দ হবে এরকম একটা নষ্ট ফ্যান কিনুন। চালু করে রাখুন কথা বলার সময়। কথা শেষ হলে বন্ধ করে ঘুমিয়ে পড়ুন।

     

    ২) যদি নষ্ট ফ্যান কেনার টাকা না থাকে, তাহলে আপনার জন্য থাকছে আরও সহজ পদ্ধতি। লাউডস্পীকারে গান ছেড়ে আনন্দ করার দিন শেষ। এ মেথড অত্যন্ত পুরোনো। বরং আপনি যেটা করতে পারেন তা হলো, ইউটিউব থেকে ফ্যান চলার শব্দ প্লে করে লাউডস্পিকারে দিয়ে দিন।

     

    ৩) শীতকালে অনেক দম্পতির বিছানার শব্দ গুরুজন কিংবা তাদের নিজেদের কাছেও বিব্রতকর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তারা শীতকাল আসি আসি করা মাত্রই বিছানার নিচে স্প্রিং সেট করে নিতে পারেন। এতে করে বিছানার উপর কোনো এক্সট্রা চাপও পড়বে না, শব্দও হবে না। প্রয়োজনে ব্যাপারটি আরও প্রত্যক্ষভাবে উপলব্ধি করতে চাইলে ‘ম্যালেনা’ সিনেমাটি দেখুন।

     

    ৪) শীতকাল আসার আগেই ব্রেকাপ করে ফেলুন। অথবা সিজনাল রিলেশনশীপে চলে যেতে পারেন। অর্থাৎ গরমকাল আসলে আপনারা একসাথে থাকবেন শীতকাল আসলে আলাদা হয়ে যাবেন। আবার গরমকাল আসলে একসাথে থাকবেন। এতে ফ্যান নিয়ে বাড়তি চিন্তা যেমন করতে হবে না, শীতকালে ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করার প্যারাও নাই।

     

    ৫) সবসময় যে খাটেই করা উত্তম এটা কেউ কোথাও কখনও বলে যাননি। তাই আপনি রুমে থাকা চেয়ার, ফ্লোরের ব্যবহার শিখুন। আওয়াজও নাই কাজও হলো।

     

    ৬) আপনি আপনার জীবনের সময়চক্র ঘুরিয়ে ফেলতে পারেন। রাতের কাজ দিনে করা শুরু করতে পারেন। দিনেরবেলা এম্নিতেও নানান আওয়াজ থাকে, এত আওয়াজ পেছনে ফেলে কেউ আপনার আওয়াজ শুনতে আসবেই না।

     

    ৭) শীতের দিন ফিসফিস করে কথা বললে সবাই সন্দেহ করে। কিন্তু কাশলে কেউ সন্দেহ করে না। তাই আপনারা সাংকেতিক ভাষা হিসেবে কাশির ব্যবহার করুন। যেমন, একবার কাশলে কী করো, দুইবার কাশলে আই লাভ ইউ, তিনবার কাশলে মিস ইউ।

     

    ৮) প্রেম, বিয়ের মতো এতোসব খারাপ কাজ করারই দরকার নাই। সব ভুলে আলোর পথে চলে আসুন।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  4. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    কীভাবে এলো হলুদ সাংবাদিকতা বা ‘ইয়েলো জার্নালিজম'?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    ইয়েলো জার্নালিজম’ বা হলুদ সাংবাদিকতার জন্ম হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দুটো জনপ্রিয় পত্রিকার প্রতিযোগিতা থেকে। পত্রিকা দুটো হলো, ‘New York World’ এবং ‘New York Journal’. সেই সময়ে ‘নিউইয়র্ক ওয়ার্ল্ড’ পত্রিকাটি কিনে নেন জোসেফ পুলিৎজার (যাঁর নামে পরবর্তীতে শ্রেষ্ঠ সাংবাদিক, ঔপন্যাসিক ও লেখকের জন্য বিশবিস্তারিত পড়ুন

    ইয়েলো জার্নালিজম’ বা হলুদ সাংবাদিকতার জন্ম হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দুটো জনপ্রিয় পত্রিকার প্রতিযোগিতা থেকে। পত্রিকা দুটো হলো, ‘New York World’ এবং ‘New York Journal’. সেই সময়ে ‘নিউইয়র্ক ওয়ার্ল্ড’ পত্রিকাটি কিনে নেন জোসেফ পুলিৎজার (যাঁর নামে পরবর্তীতে শ্রেষ্ঠ সাংবাদিক, ঔপন্যাসিক ও লেখকের জন্য বিশেষ পুরস্কার ঘোষিত হয়েছে)। তিনি এ পত্রিকায় ১৮৮৯ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন কার্টুন ছাপাতে শুরু করেন। ‘ওয়ার্ল্ড’ পত্রিকায় প্রকাশ পায় ‘Hogan’s Alley’ বা ‘হোগানের গলি’ নামে একটি বিশেষ কার্টুনের নির্মাতা Richard F. Outcault, কার্টুনটির মূল চরিত্র আলখাল্লা পরিহিত একটি ফোকলা শিশু। ১৮৯৩ সালে সংবাদপত্রের মুদ্রণে যখন রঙের ব্যবহার শুরু হয়, তখন ওয়ার্ল্ডের মুদ্রণ বিভাগের কেউ একজন আলখাল্লার গায়ে একটু হলুদ রঙ মিশিয়ে দেন। সেই থেকে সেই শিশুটি পরিচিত হয়ে যায় ‘Yellow Kid of Hogan’s alley’ নামে। কার্টুনের আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তার সাথে হু হু করে বাড়তে থাকলো ‘ওয়ার্ল্ড’ এর বিক্রিও।

    yellow journalism (1)

    তবে একচেটিয়া আধিপত্যের কিছুদিনের ভেতরেই ‘ওয়ার্ল্ড’ এবং জোসেফ পুলিৎজার এক প্রতিদ্বন্দ্বীর মুখোমুখি হন। ১৮৯৫ সালে মার্কিন নিউজপেপার ম্যাগনেট William Randolph Hearst (যার জীবনের ছায়া অবলম্বনে তৈরি হয়েছিলো বিখ্যাত চলচ্চিত্র ’Citizen Kane’) নিউইয়র্কের আরেকটি সংবাদপত্র— নিউইয়র্ক জার্নাল (New york Journal) কিনে নেন এবং ওয়ার্ল্ড এর সাথে তীব্র প্রতিযোগিতায় নামেন। Yellow kid এর নির্মাতা R.F Outcault কেও তিনি বেশি বেতনে নিজের সংবাদপত্র নিয়ে আসেন। এদিকে ‘ওয়ার্ল্ড’ পত্রিকাও তাদের ধারাবাহিকতা ও পাঠকের চাহিদার জন্য আরেকজন কার্টুনিস্ট রেখে নিয়মিত Yellow kid প্রকাশ করতে থাকে। দুটি পত্রিকা থেকেই দু’জন ভিন্ন চিত্রশিল্পীর হাতে একই কার্টুন প্রকাশিত হয়।

    এ যেন অদ্ভুত এক প্রতিযোগিতা!

    yellow journalism (2)

    এই প্রতিযোগিতা কার্টুন থেকে শুরু করে সংবাদপত্রের অন্যান্য পৃষ্ঠাতেও ক্রমেই জায়গা করে নেয়। কে কত বেশি পাঠককে উত্তেজিত করতে পারে, অতিরঞ্জিত করতে পারে, মুখরোচক শিরোনাম ব্যবহার করতে পারে… এমন সব অসুস্থ প্রতিযোগিতায় মেতে উঠলো দুটি পত্রিকা। এ সময় ‘Press’ কাগজের সম্পাদক Ervin Wardman বিরক্ত হয়ে এই দুটি পত্রিকাকেই ‘Yellow Press’ বলে নিন্দা জানান। হোগানের গলির হলুদ বাচ্চাটিকে নিয়েই সব শুরু হয়েছিলো বলে তিনি ‘Yellow’ ব্যবহার করেন।

    সেই থেকে Yellow Journalism সস্তা, চটুল, উত্তেজক খবর প্রচারের সমার্থক হয়ে দাঁড়ালো, যা বাংলাদেশের অনলাইন জগতে বোধহয় সাংবাদিকতারই সমার্থক হয়ে উঠতে যাচ্ছে (নাকি উঠেছে?

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  5. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

    Diabetes রোগীরা ভুলেও খাবেন না কোন কোন সবজি ?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

     ডায়াবিটিস একটি জটিলতম অসুখ। এই রোগকে নিয়ন্ত্রণে না রাখলে শরীরের একাধিক অঙ্গের ক্ষতি হতে পারে। তাই ডায়াবিটিস রোগীরা সুস্থ থাকার ইচ্ছে থাকলে অতি পরিচিত কিছু সবজি খাওয়ার লোভ সামলান। তাহলেই কিন্তু আপনার স্বাস্থ্যের হাল ফিরবে। চিকিৎসকদের একাংশের কথায়, ভারতে ডায়াবিটিস প্রায় মহামারীর পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে।বিস্তারিত পড়ুন

     ডায়াবিটিস একটি জটিলতম অসুখ। এই রোগকে নিয়ন্ত্রণে না রাখলে শরীরের একাধিক অঙ্গের ক্ষতি হতে পারে। তাই ডায়াবিটিস রোগীরা সুস্থ থাকার ইচ্ছে থাকলে অতি পরিচিত কিছু সবজি খাওয়ার লোভ সামলান। তাহলেই কিন্তু আপনার স্বাস্থ্যের হাল ফিরবে।

    মহামারীর পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে​

    চিকিৎসকদের একাংশের কথায়, ভারতে ডায়াবিটিস প্রায় মহামারীর পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। তাই আজকাল প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই এই রোগে আক্রান্ত রোগীর খোঁজ মেলে।

    ​সাবধান না হলেই চিত্তির!​

    ডায়াবিটিসের মতো একটি রোগকে বশে না রাখতে পারলে কিডনি, হার্ট, লিভার সহ দেহের একাধিক অঙ্গের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই নীরোগ জীবন কাটাতে চাইলে একটু সমঝে চলাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।

    ​কিছু সবজিতে রয়েছে বারণ​

    যেসব সবজিতে রয়েছে বারণ​

    মনে রাখবেন, লাইফে ডায়াবিটিস ‘এন্ট্রি’ নিলে কিছু অত্যন্ত প্রিয় সবজিকে ‘এক্সিট’ দিতে হবে। তাহলেই আপনি সুস্থ-সবল জীবনযাপন করতে পারবেন। তাই আর দেরি না করে ঝটপট জেনে নিন সেসব সবজি সম্পর্কে যেগুলি ডায়াবেটিকদের জন্য় বিষের সমান।

    • আলু থেকে সাবধান…​

      আলু থেকে সাবধান…​

      ডায়াবিটিস রোগীরা যত দ্রুত সম্ভব আলুর থেকে দূরত্ব তৈরি করুন। কারণ আলুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে কার্ব যা কিনা দেহে চটজলদি সুগার বাড়াতে পারে। এমনকী এনসিবিআই-এর এক গবেষণা জানাচ্ছে যে, আলুর জিআই ভ্যালু প্রায় ৮২। তাই আলু খেলে যে ওজন বাড়বেই, এটা সহজেই অনুমেয়।

      মটরশুঁটি নয়​

      5/8

      মটরশুঁটি নয়​

      আপনার অতি প্রিয় মটরশুঁটিও কিন্তু বেশি খাওয়া চলবে না। কারণ এই সবজিতেও রয়েছে প্রচুর পরিমাণে কার্ব যা কিনা শরীরের হাল বেহাল করার কাজে সিদ্ধহস্ত। সুতরাং ডায়াবিটিস রোগীরা মটরশুঁটি এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন।

    • ​মিষ্টি আলুও নৈব নৈব চ…​

      ​মিষ্টি আলুও নৈব নৈব চ…​

      অনেকেই মনে করেন, ডায়াবিটিসে বোধহয় মিষ্টি আলু খাওয়া উপকারী। তবে বিষয়টা একবারেই তেমন নয়। বরং মিষ্টি আলু খেলেও সুগার বাড়ার আশঙ্কা থাকে। তাই যত দ্রুত সম্ভব এই আলুর সঙ্গেও দূরত্ব বাড়ান।

    • ​কচু খেলেও ফেঁসে যাবেন​

      ​কচু খেলেও ফেঁসে যাবেন​

      কচুর গ্লাইসেমিক লোড অনেকটাই বেশি। তাই এই মাটির নীচের সবজি খেলে যে রক্তে চটজলদি সুগারের মাত্রা বেড়ে যাবে, তা তো বলাই বাহুল্য! সুতরাং সুস্থ-সবল জীবনযাপন করার ইচ্ছে থাকলে কচু খাওয়া ছাড়ুন।

      ভেজিটেবল জুস খাবেন না​

      ভেজিটেবল জুস খাবেন না​

      সবজির জুস খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে কি? উত্তর হ্যাঁ হলে যে বড্ড মুশকিল মশাই! কারণ অতি উপকারী সবজির জুস করে খেলে তার ফাইবার অংশ নষ্ট হয়ে যাবে। ফলে সুগার বাড়বে দ্রুত গতিতে। তাই জুস করে সবজি খাওয়ার ভুলটা আর করবেন না।​

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  6. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

    ঘরে ঘরে Viral Fever! দ্রুত জ্বর থেকে সেরে উঠতে এড়িয়ে চলতে হবে কোন কোন খাবার ?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    ঘরে ঘরে এখন ভাইরাল ফিভারে আক্রান্ত রোগী! এই রোগে আক্রান্তদের জ্বরের সঙ্গে থাকছে সর্দি, কাশি, মাথা ব্যথা থেকে শুরু করে একাধিক সমস্যা। তবে এই পরিস্থিতিতে থেকে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠতে চাইলে মদ, ফাস্টফুড সহ বেশ কিছু খাবারের লোভ সামলাতে হবে। আসুন সেইসব খাবার সম্পর্কে দ্রুত জেনে নেওয়া যাক। বাড়ছে ভাইরাসের দাবিস্তারিত পড়ুন

    ঘরে ঘরে এখন ভাইরাল ফিভারে আক্রান্ত রোগী! এই রোগে আক্রান্তদের জ্বরের সঙ্গে থাকছে সর্দি, কাশি, মাথা ব্যথা থেকে শুরু করে একাধিক সমস্যা। তবে এই পরিস্থিতিতে থেকে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠতে চাইলে মদ, ফাস্টফুড সহ বেশ কিছু খাবারের লোভ সামলাতে হবে। আসুন সেইসব খাবার সম্পর্কে দ্রুত জেনে নেওয়া যাক।

    বাড়ছে ভাইরাসের দাপট​​

    খাতায় কলমে শরৎ এসেছে বঙ্গে। তবে আকাশের দিকে তাকালে সে কথা বোঝার উপায় নেই। বরং সারাদিন বৃষ্টির দাপট দেখে এই সময়টাকে বর্ষা বললেও ভুল হবে না। আর এমন বর্ষামুখর দিনগুলিতেই নিজের খেল দেখাচ্ছে ফ্লু ভাইরাস।

    ​ঘরে ঘরে জ্বর, সর্দি, কাশি​

    দুর্ভাগ্যের বিষয় হল, এইসব ফ্লু ভাইরাসের কবলে পড়ে ঘরে ঘরে ভাইরাল ফিভারে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এমনকী জ্বরের সঙ্গী হচ্ছে সর্দি, কাশি। তাই এই সময়টায় সাবধান থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

    কিছু কিছু খাবার এড়িয়ে চলুন​

    তবে সব সাবধানতা গ্রহণ করার পরও যদি একান্তই ভাইরাল ফিভারের ফাঁদে পড়তে হয়, তাহলে কয়েকটি খাবার এড়িয়ে চলতেই হবে। তাহলেই আপনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠতে পারবেন। ভাবছেন নিশ্চয়ই, ভাইরাল ফিভারে ভোগার সময় কোন কোন খাবার এড়িয়ে চলা জরুরি?

    ফাস্টফুড নৈব নৈব চ​

    ফাস্টফুড নৈব নৈব চ​

    জ্বরের সময় মুখে স্বাদ না থাকার দরুন অনেকেই বাড়ির খাবার ছেড়ে অত্যধিক তেল, ঝাল, মশলা যুক্ত ফাস্টফুড খাচ্ছেন। আর এই কারণেই তাঁদের সমস্যা আরও বাড়ছে বই কমছে না। তাই ভাইরাল ফিভারে পড়লে বিরিয়ানি, মোমো বা পিৎজার মতো ফাস্টফুড খাবেন না। শুধু এই নিয়মটা মেনে চলতে পারলেই আপনার সুস্থ থাকার পথ প্রশস্থ হবে।

    চিনি, মিষ্টি খেলেও সর্বনাশ​

    এই সময়টায় অত্যধিক পরিমাণে সুগারি প্রোডাক্ট যেমন- মিষ্টি, চকোলেট বা কোল্ড ড্রিংকস খাওয়া চলবে না। কারণ এই সময় অত্যধিক মিষ্টি খেলে ডায়ারিয়ার আশঙ্কা বাড়ে। সুতরাং এইসব খাবার থেকে যত দ্রুত সম্ভব তফাত যান।

    দুগ্ধজাত খাবারও কম খেতে হবে​

    দুগ্ধজাত খাবারও কম খেতে হবে​

    দুধ বা দুগ্ধজাত খাবারে থাকে ল্যাকটোজ নামক একটি উপাদান যা কিনা হজমের সমস্যা তৈরি করার কাজে সিদ্ধহস্ত। বিশেষত, ভাইরাল ফিবারে ভোগার সময় দুধ, ছানা হজম করতে বেশি বেগ পেতে হতে পারে বলে জানাচ্ছে হেলথলাইন। তাই এই সময় ডেয়ারি খাবার কম খাওয়াই মঙ্গল।

    প্রসেসড মিট চলবে না​

    প্রসেসড মিট চলবে না​

    হ্যাম, বেকন, হটডগের মতো প্রসেসড মিট কিন্তু শরীরের একাধিক ক্ষতি করতে পারে। বিশেষত, ভাইরাল ফিভারের সময় এইসব খাবার খেলে সুস্থ হয়ে উঠতে আরও কিছুটা সময় লেগে যেতে পারে। তাই জ্বরের সময় এইসব খাবার এড়িয়ে চলাটাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।

    অ্যালকোহলেই লুকিয়ে বিপদ​

    ভাইরাল ফিভারে পড়লে এক বিন্দু মদও খাওয়া চলবে না। কারণ এই সময়ে মদ্যপান করলে শরীরে ডিহাইড্রেশন হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। এমনকী কমতে পারে ইমিউনিটিও। তাই পরিস্থিতিকে কন্ট্রোলে রাখতে চাইলে এই ‘বিষ’ পানীয় এড়িয়ে চলুন।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  7. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

    কথায় কথায় হাসলে কী কী উপকার মেলে?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    enefits Of Smiling: হাসির রয়েছে একাধিক চমকে দেওয়া উপকার। নিয়মিত হাসলে স্ট্রেস কমে, সুগার-প্রেশার থাকে নিয়ন্ত্রণ। এছাড়াও হাসির কী কী গুণ রয়েছে? ​হাসলেই কেল্লাফতে​ মুন্না ভাই এমবিবিএস ছবিতে মুন্না রূপী সঞ্জয় দত্তের চাপে পড়ে খিল খিল করে হেসে উঠতেন ডা: জে সি আস্থানা বা বমন ইরানি। এবার আপনার মনে প্রশ্নবিস্তারিত পড়ুন

    ​হাসলেই কেল্লাফতে​

    enefits Of Smiling: হাসির রয়েছে একাধিক চমকে দেওয়া উপকার। নিয়মিত হাসলে স্ট্রেস কমে, সুগার-প্রেশার থাকে নিয়ন্ত্রণ। এছাড়াও হাসির কী কী গুণ রয়েছে?

    ​হাসলেই কেল্লাফতে​

    মুন্না ভাই এমবিবিএস ছবিতে মুন্না রূপী সঞ্জয় দত্তের চাপে পড়ে খিল খিল করে হেসে উঠতেন ডা: জে সি আস্থানা বা বমন ইরানি। এবার আপনার মনে প্রশ্ন আসতেই পারে যে, হঠাৎ চাপে পড়ে এমন খিলখিল করে হেসে উঠতেন কেন মানুষটি?

    কমবে স্ট্রেস​

    আসলে উচ্চ শিক্ষিত ডা: জে সি আস্থানা খুব ভালো করেই জানতেন যে চাপের মুহূর্তে হেসে উঠলে মস্তিষ্কে কিছু খুশির হরমোন নির্গত হয়। যার ফলে কিছুক্ষণের মধ্যেই চাপ কাটিয়ে আবার মানসিক স্থিতাবস্থা ফিরিয়ে আনা সম্ভব। তাই তিনি মুন্নার চাপে দন্ত বিকশিত করে হেসে উঠতেন।

    ​রয়েছে আরও উপকার​

    রয়েছে আরও উপকার​

    তবে শুধু চাপ কাটানো নয়, বরং শরীর ও স্বাস্থ্যের উপর হাসির একাধিক উপকার রয়েছে। তাই বিশ্ব হাসি দিবসের দিন এই প্রতিবেদন থেকে হাসির একাধিক উপকার সম্পর্কে জেনে নিন।

    বাড়বে আয়ু​

    আপনার কি শতায়ু হওয়ার ইচ্ছে রয়েছে? তাহলে আজ থেকেই হাসিখুশি জীবন কাটানোর চেষ্টা করুন। কারণ একাধিক গবেষণায় এই বিষয়টা একদম প্রমাণিত যে হাসিখুশি জীবন কাটাতে পারলে দীর্ঘায়ু লাভ করা সম্ভব।

    ​হার্টের হাল ফিরবে​

    আজকাল হার্টের রোগে আক্রান্ত হয়ে অল্প বয়সেই প্রাণ হারাচ্ছেন অনেকে। তাই সুস্থ থাকতে হৃৎপিণ্ডের যত্ন নিতেই হবে। আর এই কাজেও আপনাকে সাহায্য করতে পারে হাসি। কারণ গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, নিয়মিত হাসলে শরীরে এইচডিএল বা উপকারী কোলেস্টরলের মাত্রা বাড়ে। ফলে সুস্থ থাকে হার্ট।

    প্রেশার থাকবে নিয়ন্ত্রণে​

    হাসির সময় মস্তিষ্কে ডোপিমিন, এন্ডোরফিন এবং সেরোটোনিনের মতো ফিল গুড নিউরোট্রান্সমিটার নির্গত হয়। আর এইসব নিউরোট্রান্সমিটার কিন্তু ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে সিদ্ধহস্ত। তাই হাই প্রেশারের রোগীরা হাসিখুশি জীবন কাটালেই উপকার পাবেন।

    চাঙ্গা হবে ইমিউনিটি​

    ইমিউনিটি চাঙ্গা থাকলে একাধিক রোগের ফাঁদ এড়িয়ে চলা যায়। তাই যেন তেন প্রকারেণ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেই হবে। আর এই কাজে আপনাকে সাহায্য করতে পারে হাসিখুশি জীবনযাত্রা। কারণ হাসির সময় মস্তিষ্কে সেরোটোনিন হরমোনের ক্ষরণ বাড়ে যা কিনা ইমিউনিটিকে চাঙ্গা করার কাজে সিদ্ধহস্ত।

    ​সুগার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবে​

    ​সুগার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবে​

    ডায়াবিটিসের সঙ্গে স্ট্রেসের সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে। তাই হাই ব্লাড সুগারের রোগীদের দুশ্চিন্তার ফাঁদ এড়িয়ে চলতেই হবে। আর এই কাজটি করতে চাইলে দিনে কিছুটা সময় হেসে কাটান। তাহলেই উপকার মিলবে। আপনার ব্লাড সুগার আর বিপদসীমা পেরবে না।

    মুড হবে চাঙ্গা

    কোনও কারণে খুব চাপে রয়েছেন? কিছুই ভালো লাগছে না? এই পরিস্থিতিতে খুব কাছের মানুষের সঙ্গে দু-দণ্ড হেসে কথা বলুন। হলফ করে বলতে পারি, আপনার মুডের বদল হবেই।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  8. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

    পিছু নিয়েছে ঘাতক Fatty Liver? তাহলে দ্রুত রোগমুক্তিতে কোনসব সবজি খাবেন?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    ফ্যাটি লিভারের মতো জটিল একটি অসুখকে যত দ্রত সম্ভব বাগে আনতে হবে। নইলে প্রাণ হবে ওষ্ঠাগত। তাই তো রোজের পাতে বিট, গাজর সহ কয়েকটি পরিচিত সবজিকে জায়গা করে দিন। হলফ করে বলতে পারি, এতেই উপকার মিলবে খুব সহজে। ঘাতক অসুখ ফ্যাটি লিভার​ লিভারে ফ্যাট জমার সমস্যাকে অবহেলা করা, আর খাল কেটে কুমির ডেকে আনা- দুটোই সবিস্তারিত পড়ুন

    ফ্যাটি লিভারের মতো জটিল একটি অসুখকে যত দ্রত সম্ভব বাগে আনতে হবে। নইলে প্রাণ হবে ওষ্ঠাগত। তাই তো রোজের পাতে বিট, গাজর সহ কয়েকটি পরিচিত সবজিকে জায়গা করে দিন। হলফ করে বলতে পারি, এতেই উপকার মিলবে খুব সহজে।

    ঘাতক অসুখ ফ্যাটি লিভার​

    ফ্যাটি লিভারের দুটি ভাগ​

    লিভারে ফ্যাট জমার সমস্যাকে অবহেলা করা, আর খাল কেটে কুমির ডেকে আনা- দুটোই সমান। কারণ এই অসুখের বিরুদ্ধে প্রথমেই ব্যবস্থা না নিলে লিভার সিরোসিস এবং লিভার ফাইব্রোসিসের মতো প্রাণঘাতী অসুখে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে বৈকি! তাই বিপদ ঘটার আগেই ফ্যাটি লিভার ডিজিজ নিয়ে সাবধান হওয়া ছাড়া গতি নেই।

    ফ্যাটি লিভারের দুটি ভাগ​এই অসুখকে দুটি ভাগে বিভক্ত করা যায়। প্রথমত, অ্যালকোহোলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ এবং দ্বিতীয়ত, নন অ্যালকোহোলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ। অ্যালকোহোলিক ফ্যাটি লিভারের ক্ষেত্রে সমস্যার মূল কারণ হল অত্যধিক মদ্যপান। অপরদিকে নন অ্যালকোহিক ফ্যাটি লিভারের ক্ষেত্রে অলস জীবনযাপন ও খারাপ খাদ্যাভ্যাসই সমস্যার পিছনে কলকাঠি নাড়ে।

    কিছু সবজি পাতে রাখা জরুরি​

    মনে রাখবেন, এই জটিল অসুখের ফাঁদ কেটে বেরিয়ে আসতে চাইলে আপনাকে সবজির হাত ধরতেই হবে।এখন প্রশ্ন হল, কোন কোন সবজি খেলে ফ্যাটি লিভার সারিয়ে দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠা সম্ভব?

    বিটরুট খাওয়া মাস্ট​

    এই সবজিতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ভাণ্ডার যা কিনা লিভারের জন্য অত্যন্ত উপকারী। সেই সঙ্গে বিট হল ফাইবার, ফোলেট ও পেকটিনের ভাণ্ডার। আর এই সমস্ত উপাদান একত্রে মিলে ফ্যাটি লিভারকে বশে রাখতে সাহায্য করবে।

    ​বিটরুট খাওয়া মাস্ট​

    গাজরের জুড়ি মেলা ভার​

    অতি পরিচিত এই সবজি হল বিটা ক্যারোটিনের আঁতুরঘর। তাই নিয়মিত গাজর খেলে যে লিভারে ফ্যাটের ভার কমে যাবে, তা তো বলাই বাহুল্য! এমনকী এই অঙ্গের প্রদাহ কমানোর কাজেও একাই একশো এই সবজি। তাই সুস্থ থাকতে নিয়মিত গাজর খেতে ভুলবেন না যেন!

    ​গাজরের জুড়ি মেলা ভার​

    মহৌষধি ব্রকোলি​

    ব্রকোলিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। আর এই দুই উপাদান কিন্তু ফ্যাটি লিভারকে বশে আনার কাজে সিদ্ধহস্ত। তাই রোজের পাতে ব্রকোলিকে জায়গা দিতেই পারেন। এতেই সুফল মিলবে হাতেনাতে।

    ​মহৌষধি ব্রকোলি​

     

    ঘাতক অসুখ ফ্যাটি লিভার​

    ​ফুলকপি, বাঁধাকপির সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতিয়ে নিন​

    এইসব সবজিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার যা কিনা লিভারের স্বাস্থ্যের হাল হকিকত শুধরে দিতে পারে। এমনকী ফ্যাটি লিভার রোগীদের জন্যও অমৃত সমান এইসব সবজি। তাই সুস্থ থাকতে প্রায়দিন বাঁধাকপি ও ফুলকপির পদ খাওয়া চাই।

    ​ফুলকপি, বাঁধাকপির সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতিয়ে নিন​

    ​শাক পাতার বিকল্প নেই​

    যে কোনও মরশুমি শাক হল ভিটামিন, খনিজ, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফাইবারের ভাণ্ডার। তাই নিয়মিত শাক পাতার পদ খেলে লিভার সহ দেহের একাধিক অঙ্গের হাল ফিরতে সময় লাগবে না। তাই সব অনীহাকে পাশে সরিয়ে রেখে সুস্থ থাকতে শাকের পদ পাতে রাখতেই হবে। এতেই চটজলদি মিলবে উপকার।

    ​শাক পাতার বিকল্প নেই​

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  9. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

    ঝকঝকে সাদা দাঁত পেতে এবং দাঁতের হলুদ ভাবও উধাও হবে কিভাবে?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    যদি কেউ আপনার হাসিরও প্রশংসা করে, আপনার ভালো লাগবে না? তাহলে জেনে নিন সাদা ঝকঝকে দাঁত কী ভাবে পাবেন? সুন্দর সাদা ঝকঝকে দাঁত পাওয়ার ইচ্ছে থাকে প্রত্যেকেরই। কিন্তু নানা কারণে দাঁতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নষ্ট হয়। দাঁতে হলুদ ছোপও পড়ে । কী ভাবে মিলবে সুরাহা? আমাদের হাতের কাছেই এমন কিছু প্রাকৃতিক উপাদান রয়বিস্তারিত পড়ুন

    যদি কেউ আপনার হাসিরও প্রশংসা করে, আপনার ভালো লাগবে না? তাহলে জেনে নিন সাদা ঝকঝকে দাঁত কী ভাবে পাবেন? সুন্দর সাদা ঝকঝকে দাঁত পাওয়ার ইচ্ছে থাকে প্রত্যেকেরই। কিন্তু নানা কারণে দাঁতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নষ্ট হয়। দাঁতে হলুদ ছোপও পড়ে ।

    কী ভাবে মিলবে সুরাহা?

    আমাদের হাতের কাছেই এমন কিছু প্রাকৃতিক উপাদান রয়েছে, যেগুলির ব্যবহারে খুব সহজেই দাঁতের ঝকঝকে সাদা ভাব ফিরিয়ে আনা সম্ভব! কী সেই উপায়?

    পাতি লেবুর খোসা ব্যবহার করুন

    এক্ষেত্রে পাতি লেবুর কোনও বিকল্প হয় না। পাতি লেবুর খোসা দাঁতে ঘষতে পারেন। এর নিয়মিত ব্যবহারে দাঁতের হলুদ ছোপ মলিন হবে আর সাদা ঝকঝকে ভাবও ফিরে আসবে।

    কমলাকে সঙ্গী বানান

    কমলা লেবুর খোসাও ব্যবহার করতে পারেন আপনি। ঘুম থেকে উঠে কমলা লেবুর খোসা দাঁতে ঘষে নিন। এতে দাঁতের সাদা ভাব বজায় থাকবে আর আপনার হাসির প্রশংসাও করবেন সবাই।

    গ্রিন টি বেশ উপকারী

    একটি কটন বল গ্রিন টি-তে ভিজিয়ে দাঁতের উপর লাগিয়ে নিন। নিয়মিত ব্যবহারে পরিবর্তন চোখে পড়বেই।

    পেয়ারা পাতাই ম্যাজিক দেখাবে

    নিয়মিত পেয়ারা পাতা চিবিয়ে খেতে পারেন আপনি। পেয়ারা পাতার রস দাঁতের জন্যে খুবই উপকারী। মুখের দুর্গন্ধ দূর করে দাঁতের সাদা ঝকঝকে রং ফিরিয়ে দিতে এটি একাই একশো।

    বেশকিছু সতর্কতাও আপনাকে মেনে চলতে হবে। যেমন, ধূমপান ত্যাগ করতে হবে। নিয়মিত সঠিক নিয়ম মেনে দিনে দুবার ব্রাশ করতে হবে। দাঁতের সঠিক যত্নও নিতে হবে। এসব নিয়ম মানলেই হবে কেল্লাফতে!

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  10. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

    দিনে কতবার চুল আঁচড়ালে বন্ধ হবে মুঠো মুঠো চুল পড়া?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    সঠিক উপায়ে চুল আঁচড়ান Hair Brush: চুল ভালো রাখার জন্যে নিয়মিত যত্ন নেন প্রত্যেকে। চুল পরিপাটি করে রাখতে নিয়মিত হেয়ার ব্রাশও করেন। কিন্তু আপনি কি জানেন, দিনে ঠিক কতবার চুল আঁচড়ানো উচিত? বিস্তারিত জেনে নিন। সবাই চুল পরিপাটি রাখতে চান চুল পরিপাটি করে সুন্দর রাখতে চুল আঁচড়ানো প্রয়োজন। তাই প্রত্যেকেইবিস্তারিত পড়ুন

    সঠিক উপায়ে চুল আঁচড়ান

    সঠিক উপায়ে চুল আঁচড়ান

    Hair Brush: চুল ভালো রাখার জন্যে নিয়মিত যত্ন নেন প্রত্যেকে। চুল পরিপাটি করে রাখতে নিয়মিত হেয়ার ব্রাশও করেন। কিন্তু আপনি কি জানেন, দিনে ঠিক কতবার চুল আঁচড়ানো উচিত? বিস্তারিত জেনে নিন।

    সবাই চুল পরিপাটি রাখতে চান

    চুল পরিপাটি করে সুন্দর রাখতে চুল আঁচড়ানো প্রয়োজন। তাই প্রত্যেকেই সাধের চুলকে গুছিয়ে রাখতে বারবার চুল আঁচড়ান। একাধিক হেয়ার ব্রাশও ব্যবহার করেন।

    আঁচড়ালেই ভালো থাকবে চুল?

    অনেকেই ভাবেন যে, চুল ভালো রাখতে বুঝি বারবার হেয়ার ব্রাশ করা জরুরি। চুল আঁচড়ালে জটমুক্ত থাকবে। তাই হেয়ার ফলও নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

    এই ধারণার সত্যতা তাঁরা বিচার করেন না। দিনের পর দিন এই ভ্রান্ত ধারণাকে আশ্রয় করেই চলতে চান। কিন্তু আপনি কি জানেন এই কথা কতটা সত্যি ?

    বারবার চুল আঁচড়ালে চুল ভালো থাকে, এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। এতে চুল জটমুক্ত থাকে ঠিকই। কিন্তু এর সঙ্গে হেয়ার ফল কমার কোনও সংযোগ নেই। বরং বারবার চুল আঁচড়ালে ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কাই বাড়ে।

    মাথা ফাঁকা হয়ে যেতে পারে

    চুলে বারবার চিরুনি দিলে ঘষা লাগে। ফলে, চুল ভেঙে যায়। এমনকী গোড়া থেকে আলগা হয়ে উঠতেও আসতে পারে।

    ভিজে চুল আঁচড়াবেন না

    ভিজে চুলে তো চিরুনি দেওয়াই উচিত নয়। এতে চুলের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে ষোলোআনা। তাই সব দিক বিবেচনা করে নিজের চুলকে ভালো রাখার জন্যে প্রয়োজন মতো চুল আঁচড়ানোই ভালো।

    এখন প্রশ্ন হচ্ছে, দিনে কতবার চুল আঁচড়ালে উপকার মিলবে? দিনে একাধিক বার চুল আঁচড়াতে পারেন আপনি। তবে ২-৩ বারের বেশি চুল আঁচড়ানো উচিত নয়। এতে চুলের ক্ষতি হতে পারে।

    শীতের আগেই নিন চুলের যত্ন

     শীতকালে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ কম থাকে। এর প্রভাব পড়ে চুলেও। বাতাসে দূষণের মাত্রা বেশি থাকায় চুলের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কাও বাড়ে। তাই তো শীতকালে চুল পড়ার সমস্যায় ভোগেন অধিকাংশই!

    আপনি চাইলে এই সমস্যা এড়িয়েও যেতে পারেন। তবে এর জন্যে বেশি পরিশ্রম করার প্রয়োজনও নেই। শীত পড়ার আগে আবহাওয়া পরিবর্তনের এই সময় থেকেই কয়েকটি নিয়ম মেনে চলতে হবে। তাহলেই মুঠো মুঠো চুল ওঠা প্রতিরোধ করতে পারবেন আপনি। 

    শ্যাম্পু করতে ভুলবেন না

    সপ্তাহে ৩ দিন শ্যাম্পু করুন। শীতে চুল ভালো রাখার জন্যে স্ক্যাল্প পরিষ্কার রাখাও গুরুত্বপূর্ণ। অপরিষ্কার স্ক্যাল্পে খুশকির সমস্যা বাড়তে পারে, তখন স্বাভাবিকভাবেই চুল পড়াও বাড়বে।

    ডিপ কন্ডিশনিং করতে ভুলবেন না। কারণ, এই সময়ে বাতাসে আর্দ্রতার মাত্রা কম থাকে। আর তার ফলে চুলও রুক্ষ হতে শুরু করে। তাই ডিপ কন্ডিশনিং করে চুলের আর্দ্রতা ঠিক রাখা জরুরি।

    হট অয়েল থেরাপি জরুরি

    আপনি সপ্তাহে ১-২ দিন হট অয়েল থেরাপি করতে পারেন। চুলের আর্দ্রতা ধরে রাখতে এটি বেশ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

    প্রোটিন হেয়ার মাস্ক মাস্ট

    সপ্তাহে অন্তত একদিন প্রোটিন হেয়ারপ্যাক চুলে লাগাতে পারেন। সেক্ষেত্রে আপনি ডিমের সাদা অংশ এবং টক দই মিশিয়ে বানিয়ে নিন হেয়ার মাস্ক। এটি চুলে লাগিয়ে ১ ঘণ্টা অপেক্ষা করে শ্যাম্পু করে নিন।

    স্টাইলিং টুল ব্যবহার করবেন না

    হেয়ার স্টাইলিং টুল না ব্যবহার করাই ভালো। এগুলি আপনার চুলের প্রাকৃতিক আর্দ্রতা নষ্ট করে দেয়। ফলে চুল আরও রুক্ষ হয়ে ওঠে এবং হেয়ার ফলও বাড়ে।

    সবশেষে ডায়েটের দিকেও নজর ফেরান। স্বাস্থ্যকর খাবার খাবেন। সেই সঙ্গে পর্যাপ্ত পরিমাণে জলপান করাও জরুরি। হাইড্রেটেড থাকলে চুলও ভালো থাকবে।

     

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  11. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    ক্রিকেটের নতুন সংস্করন THE 6IXTY. নিয়ম কানুন কি?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    শুরুতে খেলা হতো টেস্ট বা ফার্স্ট ক্লাস ম্যাচ। পরে উদ্ভব হয় ৫০ ওভারের ওয়ান ডে বা লিস্ট-এ ক্রিকেটের। তার পরে আসে টি-২০ ক্রিকেট। ২০ ওভারের ক্রিকেট একটু পুরনো হতেই দেখা মেলে টি-১০ ক্রিকেটের। ১০ ওভারের ম্যাচেই ক্রিকেটের বিবর্তন থেমে থাকেনি, বরং ঘরোয়া স্তরে নিয়ম বদলে আত্মপ্রকাশ করছে ক্রিকেটের নতুন নতুন ফরবিস্তারিত পড়ুন

    শুরুতে খেলা হতো টেস্ট বা ফার্স্ট ক্লাস ম্যাচ। পরে উদ্ভব হয় ৫০ ওভারের ওয়ান ডে বা লিস্ট-এ ক্রিকেটের। তার পরে আসে টি-২০ ক্রিকেট। ২০ ওভারের ক্রিকেট একটু পুরনো হতেই দেখা মেলে টি-১০ ক্রিকেটের। ১০ ওভারের ম্যাচেই ক্রিকেটের বিবর্তন থেমে থাকেনি, বরং ঘরোয়া স্তরে নিয়ম বদলে আত্মপ্রকাশ করছে ক্রিকেটের নতুন নতুন ফর্ম্যাট। ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড ১০০ বলের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ‘দ্য হান্ড্রেড’ শুরু করেছে ইতিমধ্যেই। দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট বোর্ড পরীক্ষামূলকভাবে আয়োজন করেছে তিন দলের ক্রিকেটে ম্যাচ। এবার সেই তালিকায় যোগ হচ্ছে ‘দ্য সিক্সটি’ (THE 6ICTY)।

    দেখে নেওয়া যাক নতুন এই টুর্নামেন্টের অদ্ভুত  নিয়ম:-

    ১. দশটি নয়, প্রতিটি ব্যাটিং দলের হাতে থাকবে ৬টি করে উইকেট।

    ২. ব্যাটিং দল প্রথম ২ ওভারের পাওয়ার প্লে-তে ২টি ছক্কা মারতে পারলে তৃতীয় একটি ওভার পাওয়ার প্লে হিসেবে পেয়ে যাবে। বিষয়টি কিছুটা কম্পিউটার গেমের মতো। লেভেল পেরোতে পারলেই যেমন আনলক করা যায় লাইফ-লাইন, এক্ষেত্রেও তেমন আনলক করা যাবে পাওয়ার প্লে। নতুবা ২ ওভারের বেশি পাওয়ার প্লে পাওয়া যাবে না।

    ৩. পিচের এক প্রান্ত থেকে টানা ৫ ওভার বল করতে হবে। তার পরে অপর প্রান্ত থেকে শেষ ৫ ওভার বল করা যাবে। প্রতি ওভারে প্রান্ত বদল করতে হবে না।

    ৪. যদি কোনও দল ৪৫ মিনিটের মধ্যে ১০ ওভার পূর্ণ করতে না পারে, তবে শেষ ৬টি বলে ১ জন ফিল্ডারকে মাঠের বাইরে রাখতে হবে। সুতরাং মাঠে থাকবে ফিল্ডিং দলের ১০ জন।

    ৫. অ্যাপ বা ওয়েবসাইট থেকে অনুরাগীরা একটি ‘মিস্ট্রি ফ্রি-হিট’এর জন্য ভোট দিতে পারবেন।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  12. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    ক্রিকেট খেলায় ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতি কী এবং কীভাবে এর হিসাব করা হয়?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    কখনও প্রতিপক্ষের থেকে ১১ রান বেশি করে ৪ রান হার, আবার কখনও প্রতিপক্ষের ৪০ ওভারে করা রান ৩৫ ওভারে টপকে যাওয়ার কঠিন চ্যালেঞ্জ। ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতি নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই। কিন্তু এই ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতি ঠিক কী? কোথা থেকে এর উত্পত্তি? দেখে নেওয়া যাক। ডি/এল মেথড বা ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতির প্রবর্তক দুইবিস্তারিত পড়ুন

    কখনও প্রতিপক্ষের থেকে ১১ রান বেশি করে ৪ রান হার, আবার কখনও প্রতিপক্ষের ৪০ ওভারে করা রান ৩৫ ওভারে টপকে যাওয়ার কঠিন চ্যালেঞ্জ। ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতি নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই। কিন্তু এই ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতি ঠিক কী? কোথা থেকে এর উত্পত্তি? দেখে নেওয়া যাক।

    ডি/এল মেথড বা ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতির প্রবর্তক দুই ইংরেজ পরিসংখ্যানবিদ– ফ্রাঙ্ক ডাকওয়ার্থ এবং টনি লুইস। এই পদ্ধতিতে সাধারণত বৃষ্টি-প্রাকৃতিক দুর্যোগে আটকে যাওয়া ম্যাচে ব্যবহার করা হয় একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট বা টি২০ খেলায়। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে নতুন করে লক্ষ্য বেঁধে দেওয়া হয় পরে ব্যাট করা দলের জন্য।

    ডি/এল মেথড প্রথম ব্যবহার হয় ১৯৯৬-৯৭ সালে জিম্বাবোয়ে বনাম ইংল্যান্ডের একদিনের ম্যাচে। এই খেলায় জিম্বাবোয়ে ডি/এল মেথডে ৭ রানে জয়ী হয়। ২০০১ সালে আইসিসি এই পদ্ধতি আনুষ্ঠানিক ভাবে গ্রহণ করে।

    ডিএল মেথড অনুযায়ী কোনও ওয়ানডে ম্যাচের ফল তখনই ঘোষিত হবে যখন উভয় ইনিংসে কমপক্ষে ২০ ওভার করে খেলা হয়ে গিয়েছে।

    হয়ত বৃষ্টি হয়েছে ম্যাচের আগে, একটা সময় বৃষ্টি থেমে মাঠ খেলার উপযোগী হল, কিন্তু এতে কিছু সময় নষ্ট হওয়ায় ৫০ ওভারের বদলে উভয় পক্ষকে ৪০ ওভার দেওয়া হল খেলার জন্য এবং দুই দলই পুরো ৪০ ওভার করে খেলার সুযোগ পেল। এক্ষেত্রে ডিএল মেথড প্রযোজ্য হবে না।

    যদি প্রথম ইনিংসের মাঝপথে বিঘ্ন ঘটে এবং প্রথম ইনিংস কম ওভারে শেষ করতে হয়, তখন দ্বিতীয় ইনিংসের টার্গেট আবার নতুন করে সেট করা হয়। এ ক্ষেত্রে প্রথম ইনিংসে কত ওভার বাকি ছিল, কত রান হয়েছে আর কত উইকেট ছিল, এই সব কিছুর উপর ভিত্তি করে হিসাব হয়।

    সাধারণত এসব ক্ষেত্রে লক্ষ্য দ্বিতীয় ইনিংসে বেড়ে যায়। এ ক্ষেত্রে যুক্তি, প্রথম ইনিংসের কিছুটা অংশ জুড়ে প্রথমে ব্যাট করা দল ভেবেছিল তাদের হাতে আরও সময় আছে। ওভার কমে যাওয়ার কথা আগে জানলে তারা আরও দ্রুত রান নেওয়ার উদ্দেশ্যে ব্যাটিং করত। সেই রানটা ব্যালান্স করা হয় লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়ে।

    যদি দ্বিতীয় ইনিংসেও বিঘ্ন ঘটে, ওই ইনিংসের ওভার সংখ্যাও কমাতে হয়, তা হলে ডিএল মেথড অনুযায়ী হাতে থাকা রান, ওভার ও উইকেট অনুযায়ী তাদের টার্গেট আবারও ঠিক করা হয়। এই নির্ধারণ ‘রিসোর্স’-এর ভিত্তিতে করা হয়। এই রিসোর্স হল হাতে থাকা ওভার এবং উইকেট মিলিয়ে একটা শতাংশের হিসাব।

    ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতি যে ভাবে প্রয়োগ করা হয়, তা হল-ইনিংসের শুরুতে রিসোর্স পার্সেন্টেজ যত ছিল, বিরতির ফলে যেটুকু রিসোর্স নষ্ট হবে, বাকি যা রিসোর্স থাকবে।

    এখন, পরে ব্যাট করা দলের রিসোর্স যদি প্রথমে ব্যাট করা দলের থেকে কম হয়, তা হলে দুই দলের বাকি থাকা রিসোর্সের অনুপাত করতে হবে। এরপর পরে ব্যাট করা দলের টার্গেট হবে প্রথমে ব্যাট করা দলের স্কোর কে সেই রেশিও দিয়ে ভাগ করে।

    যদি পরে ব্যাট করা দলের রিসোর্স প্রথমে ব্যাট করা দলের রিসোর্সের থেকে বেশি হয়, তা হলে প্রথম দলের রিসোর্সকে দ্বিতীয় দলের রিসোর্স থেকে বাদ দিয়ে দিতে হবে। এরপর এটাকে ২২৫ (আইসিসি নির্ধারিত ওডিআইয়ের গড় স্কোর) এর পার্সেন্টেজ তৈরি করতে হবে। এরপর সেটাকে প্রথমে ব্যাট করা দলের রানের সঙ্গে যোগ করে পরে ব্যাট করা দলকে টার্গেট।

    ধরা যাক, প্রথমে ব্যাট করে টিম এ ৫০ ওভারে ২৬০ রান করল। পরে নেমে টিম বি ৪০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৯৯ রান করল, এমন অবস্থায় বৃষ্টিতে খেলা স্থগিত হয়ে গেল। এ ক্ষেত্রে টিম এ পুরো ৫০ ওভারে খেলেছে, তাই তাদের রিসোর্স ১০০%। টিম বি-র শুরুতে রিসোর্স ছিল ১০০%, ৪০ ওভার শেষে টিম বি ৫ উইকেট হারিয়েছে, টেবিল অনুযায়ী তাদের রিসোর্স বাকি ।

    অর্থাত্ টিম বি- এর মোট ব্যবহৃত রিসোর্স = ১০০-২৭.৫=৭২.৫%। এখানে টিম বি-র রিসোর্স টিম এ-র থেকে কম, সুতরাং বি-এর লক্ষ্যমাত্রা হবে মূল লক্ষ্যমাত্রার ৭২.৫/১০০ গুণ। টিম এ-এর স্কোর ছিল ২৬০, তাই টিম ‘বি’-র লক্ষ্য হবে ২৬০x৭২.৫/১০০=১৮৮.৫=১৮৯

    যেহেতু ম্যাচ আর হয়নি, সেহেতু এ ক্ষেত্রে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে টিম ‘বি’-কে। যেহেতু টিম বি ১৯৯ রান করেছে, তারা ১৮৯ থেকে ১০ রান বেশি করেছে, ফলে তারা ১০ রানে বিজয়ী হয়েছে পরে ব্যাট করলেও।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  13. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ সাধারণ প্রশ্ন

    পেট্রলবোমার আগুন থেকে বাঁচতে কি কি করবেন?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    রাজধানীসহ সারা দেশ এখন অগ্নিসন্ত্রাসের আতঙ্কে কাঁপছে। প্রতিদিন গাড়ি পোড়ানো হচ্ছে রাজধানীতে, মফস্বল শহরে কিংবা মহাসড়কে —সুযোগ পেলেই যানবাহনে আগুন দিচ্ছে দুর্বৃত্তরা। আর এ জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে পেট্রলবোমা অথবা সরাসরি বাসে পেট্রল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দিচ্ছে। পেট্রল অত্যন্ত দাহ্য তরল। পানিতে দিয়ে নেভানো যাবিস্তারিত পড়ুন

    রাজধানীসহ সারা দেশ এখন অগ্নিসন্ত্রাসের আতঙ্কে কাঁপছে। প্রতিদিন গাড়ি পোড়ানো হচ্ছে রাজধানীতে, মফস্বল শহরে কিংবা মহাসড়কে —সুযোগ পেলেই যানবাহনে আগুন দিচ্ছে দুর্বৃত্তরা। আর এ জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে পেট্রলবোমা অথবা সরাসরি বাসে পেট্রল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দিচ্ছে।

    পেট্রল অত্যন্ত দাহ্য তরল।

    পানিতে দিয়ে নেভানো যায় না পেট্রলের আগুন। দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা না এলে কয়েক মিনিটের মধ্যেই জ্বলে-পুড়ে কয়লা হয়ে যাবে গোটা বাসটাই। আগুন যদি বাসের জ্বালানি ট্যাংক কিংবা গ্যাস সিলিন্ডার পর্যন্ত পৌঁছে যায়, তাহলে ভয়াবহ বিস্ফোরণ হতে পারে। বাসকে যদি আগুনের হাত থেকে না-ও বাঁচানো যায়, নিজের প্রাণটা হয়তো আপনি বাঁচাতে পারবেন —এ ক্ষেত্রে নিজে সচেতন থাকা জরুরি।

     

    বাসে যাত্রার সময় অবশ্যই সজাগ থাকবেন। এ সময় ভুল করেও ঘুমিয়ে পড়বেন না। দেখা যায়, ঘুমন্ত যাত্রী বা বাসের ঘুমন্ত কর্মচারীরাই আগুনে পুড়ে মারা যাচ্ছেন। বাসে ওঠার পর অবশ্যই জ্বানালা বন্ধ করে রাখুন, দূর থেকে পেট্রলবোমা ছুড়লে আগুন যেন সরাসরি বাসের ভেতরে না ঢোকে।

    আগুন লাগলে মাথা ঠাণ্ডা করে বাস থেকে নামুন। হুড়োহুড়ি করে নামার চেষ্টা করলে মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে।

    গায়ে আগুন ধরে গেলে দৌড়াবেন না। এতে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে। সম্ভব হলে বাস থেকে বেরিয়ে মাটিতে গড়াগড়ি দিন।

    এতে অক্সিজেনের প্রবাহ বন্ধ হবে এবং আগুন নিভে যাবে। পেট্রলের আগুন পানিতে নেভে না, বরং আগুনকে আরো উসকে দেয়। তাই পানি দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা না করে অক্সিজেনের প্রবাহ বন্ধ করার চেষ্টা করুন। মোটা কাপড়জাতীয় জিনিস দিয়ে আগুন লাগা জায়গাটা ঢেকে ফেলুন।

    রাজধানীর প্রায় প্রতিটা দোকানে বা প্রতিষ্ঠানে অগ্নিনির্বাপক সিলিন্ডার থাকে। এতে কার্বন ডাই-অক্সাইড কিংবা অগ্নিনির্বাপক ড্রাই পাউডার থাকে। এগুলো জোগাড় করে দ্রুত শরীরের আগুন নিভিয়ে ফেলতে পারেন।

    নিজে আক্রান্ত নন, কিন্তু অন্যকে পেট্রলবোমার আগুনে আক্রান্ত হতে দেখছেন, আপনার চেষ্টায়ই বাঁচতে পারে আক্রান্ত ব্যক্তি। মোটা কাপড়, অগ্নিনির্বাপক ফোম কিংবা কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস জোগাড় করা আক্রান্ত ব্যক্তির চেয়ে আপনার জন্য তুলনামূলক সহজ। তাই এই কাজের দায়িত্ব আপনি নিলে আক্রান্ত ব্যক্তির প্রাণে বাঁচার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে।

    আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পর আক্রান্ত ব্যক্তির পোড়া স্থানে পর্যাপ্ত পানি ঢালার ব্যবস্থা করুন। এতে দ্রুত আক্রান্ত স্থানের তাপমাত্রা কমবে, ফলে শরীরের কোষের ক্ষতি কম হবে।

    আপনি যদি বাসের চালক বা কর্মী হন, তাহলে একটা কথা মনে রাখবেন, বেশিক্ষণ একই স্থানে বাস দাঁড় করিয়ে রাখবেন না। দাঁড়ানো গাড়িতে সরাসরি তেল ছিটিয়ে আগুন দেওয়া সহজ। আবার বাসে আগুন লাগলে দ্রুত বাস নিয়ে ছোটার চেষ্টা করবেন না। বরং ধীরে-সুস্থে নিরাপদ জায়গায় বাস দাঁড় করান, যাতে অন্যের ক্ষতি না হয়। তারপর আগুন নেভানোর পদক্ষেপ নিন।

    বাসের কর্মীরা সব সময় ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের ফোন নম্বর রাখুন। অথবা ৯৯৯-তে কল করে জরুরি সেবা নিতে পারেন। অগুন লাগলে ওই সময় যাত্রীদের কী করণীয়, এমন নির্দেশনা সংবলিত সচিত্র পোস্টার টাঙিয়ে রাখুন বাসের ভেতর।

    অবশ্যই বাসে অগ্নিনির্বাপক সিলিন্ডার, লেপ-তোশক জাতীয় জিনিস রাখুন। আগুন লাগলে হয়তো শুরুতেই সেটাকে থামিয়ে দেওয়া যাবে, এগুলো যদি বাসে থাকে।

    বাসে ফার্স্ট এইড বক্স বা প্রাথমিক চিকিৎসার সরঞ্জাম রাখুন, কেউ দগ্ধ হলে দ্রুত যেন সেবা পান। গাড়িতে ফায়ার সার্ভিস বা পুলিশের নাম্বার সাঁটিয়ে রাখুন, যাতে আপনি সুযোগ না পেলেও অন্য কেউ তাঁদের ফোন দিতে পারে।

    সবচেয়ে বড় কথা, আগুনসন্ত্রাসের হাত থেকে বাঁচতে হলে চোখ-কান খোলা রাখতে হবে, সচেতন থাকতে হবে। তাহলেই হয়তো বেঁচে যাবে আপনার ও সহযাত্রীদের প্রাণ।

    সূত্র : বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  14. সময়ঃ 2 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

    ডায়াবেটিস হলে ডায়াবেটিস রোগী কী কী খাবার খাবেন?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 2 বছর আগে

    বিশ্বে প্রতি সাত সেকেন্ডে একজন মানুষ ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত হচ্ছে * ডায়াবেটিসের কারণে বিশ্বে প্রতি বছর ১০ লাখেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয় * যে কোন ব্যক্তিই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হতে পারেন * শরীর যখন রক্তের সব চিনিকে (গ্লুকোজ) ভাঙতে ব্যর্থ হয়, তখনই ডায়াবেটিস হয়। এই জটিলতার কারণে মানুষের হার্ট অ্যাটাক, সবিস্তারিত পড়ুন

    বিশ্বে প্রতি সাত সেকেন্ডে একজন মানুষ ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত হচ্ছে

    * ডায়াবেটিসের কারণে বিশ্বে প্রতি বছর ১০ লাখেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়

    * যে কোন ব্যক্তিই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হতে পারেন

    * শরীর যখন রক্তের সব চিনিকে (গ্লুকোজ) ভাঙতে ব্যর্থ হয়, তখনই ডায়াবেটিস হয়। এই জটিলতার কারণে মানুষের হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক হতে পারে

    * ডায়াবেটিসের কারণে মানুষ অন্ধ হয়ে যেতে পারে, নষ্ট হয়ে যেতে পারে কিডনি এবং অনেক সময় শরীরের নিম্নাঙ্গ কেটেও ফেলতে হতে পারে।

    বদলে যাওয়া লাইফ স্টাইলের কারণে আমাদের জীবনে অন্য জটিলতার পাশাপাশি ব্যাপকহারে ডায়াবেটিস বেড়ে যাচ্ছে। একে আয়ত্বে রাখার জন্য প্রথমেই ভাবতে হবে খাবারের কথা। কারণ পথ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমেই ডায়াবেটিসকে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

    রক্তে শর্করার মাত্রা সঠিক রাখার উদ্দেশ্য হলো-

    * দেহের স্বাভাবিক বিপাক ক্রিয়া বজায় রাখা

    * দেহের ওজন স্বাভাবিক রাখা

    * ডায়াবেটিসের জটিলতাগুলো প্রতিরোধ করা

    * কর্মক্ষম থাকা, প্রজনন ক্ষমতা ঠিক রাখা, সামাজিক জীবন বাধাগ্রস্ত না হওয়া ইত্যাদি।

    নিয়ন্ত্রিত খাবারের মধ্যে প্রথমেই আসে মিষ্টি খাবার। যেমন- চিনি, গুড়, মধু, গ্লুকোজ না খাওয়া। এ ছাড়া আমিষ বা প্রোটিন এবং চর্বি বা ফ্যাট স্বাভাবিক মাত্রায় গ্রহণ করা। সকালের নাস্তার সময় থেকে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত প্রতি তিন থেকে সারে তিন ঘণ্টা পরপর খাবার খেতে হবে। ওষুধ ও খাবারের মধ্যে একটা সমন্বয় থাকতে হবে।

    শর্করাযুক্ত খাবার খাওয়া

    ধীরে ধীরে শোষিত হয় এমন শর্করা হলো জটিল বা পলিস্যাকারাইড। ভুসিযুক্ত আটার রুটি, লাল চাল, ভুট্টার খই, খেজুর আশযুক্ত শাকসবজি ও ফল হলো জটিল শর্করা। যদি কারও খাবারে শর্করা বাড়ানোর প্রয়োজন হয় তাহলে এ ধরনের শর্করা দিয়ে বাড়ানো যেতে পারে। এতে ডায়াবেটিস তেমন বাড়বে না। এদিকে দ্রুত শোষিত হয় এমন শর্করা হলো আঁশবিহীন মিষ্টি ফল, দুধ, আতপ চাল, ময়দা। এগুলো সঙ্গে বা ডাইসকারাইড। এ ধরনের শর্করা সব সময় সীমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত। আবার প্রতিটি শর্করাযুক্ত খাবার সমানভাবে রক্ত শর্করা বাড়ায় না। খাবারের ঘনত্ব ও সময়ের ওপর রক্ত শর্করা বাড়তে পারে।

    ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের আমিষযুক্ত খাবারে কোনো বাধা নেই। বড়দের ক্ষেত্রে দৈনিক ১-০.৮ গ্রাম আমিষ প্রয়োজন প্রতি কেজি দৈহিক ওজনের জন্য। উচ্চ আমিষ বা হাইপ্রোটিন প্রয়োজন শিশু, কম ওজন, অপুষ্টি, গর্ভবতী ও স্তন্যদায়ী মাতা, পোড়া রোগীদের জন্য। আমিষ রক্ত শর্করাকে খুব ধীরে ধীরে বাড়ায়। পুরো ক্যালরির ১২-২০ শতাংশ আমিষ থেকে আসা উচিত বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।

    এটা প্রমাণিত যে, উচ্চ চর্বিযুক্ত খাবার হৃদরোগসহ অন্য অনেক রোগের উৎপত্তি ঘটায়। ডায়াবেটিসের সঙ্গেও এর সম্পর্ক রয়েছে। যদি অন্ত্রে চর্বি বেশি জমা হয়, তাহলে শর্করা শোষণ কম হয়। ফলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়ে। চর্বি দুই রকম। সম্পৃক্ত ও অসম্পৃক্ত চর্বি। সম্পৃক্ত চর্বি হলো ঘি, মাখন, মাংসের চর্বি, ক্রিম, দুধের সর ইত্যাদি। অসম্পৃক্ত চর্বি হলো উদ্ভিজ তেল ও মাছের তেল।

    জলপাই ও বাদাম তেল মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট। এগুলো খুব সামান্যই রক্তের চর্বি বাড়ায়। সয়াবিন, শস্য ও সূর্যমুখীর তেল হলো পলি আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট। এগুলো প্রাজমা কলস্টেরল কমায়। মাছের চর্বি হলো Docashexenoic acid বা DHA। একে উপকারী চর্বি বলে। আমেরিকার হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের মতে দৈনিক খাবারে ১০ শতাংশ-এর বেশি চর্বি না থাকাই ভালো। যেহেতু ডায়াবেটিস রোগীদের বেশিরভাগ মৃত্যুর কারণ করোনারি হার্ট ডিজিজ। সেহেতু সম্পৃক্ত চর্বির ব্যাপারে সতর্ক হওয়া উচিত।

    খাদ্যের আঁশ দেরিতে হজম হয় বলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের সহায়ক। এ জন্য দৈনিক ২০-৩০ গ্রাম আঁশ খাবারে থাকা উচিত। আঁশযুক্ত খাবার হলো খোসাসহ ফল, বেসন, ডাল, পেকটিন (যা ফলের খোসায় থাকে), গুয়ার গাম (সিমের নির্যাস), ভুসিযুক্ত আটা, লাল চাল ইত্যাদি।

    ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স দেখে খাবার খেলে সুফল পাওয়া যায়। যেসব খাবার দ্রুত পরিপাক ও শোষণ হয়ে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়, সেগুলোই উচ্চ জি.আই সম্পন্ন খাবার। যেমন-সাদা রুটি, চিনি, মধু, ফলের রস, আতপচাল, পান্থা ইত্যাদি। এগুলো খেলে ইনসুলিনের প্রয়োজন বেশি হয়। অন্যদিকে নিু জিআই সম্পন্ন খাবারে ইনসুলিনের পরিমাণ কম লাগে। কারণ এগুলো ধীরে ধীরে শোষিত হয়ে রক্ত শর্করা বাড়ায়। যেমন-লাল মোটা চাল, ভুসিযুক্ত আটা, সবজি, ডাল ও আস্ত ফল।

    এদিকে প্রোটিন ও ফ্যাট নিু জিআইয়ের মধ্যেই থাকে। ডায়াবেটিস ধরা পড়ার পর একটি নির্দিষ্ট খাদ্য তালিকা মেপে চলতে হবে এবং রোগটি সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে। কখনো অসুস্থতার কারণে স্বাভাবিক খাবার খেতে না পারলে তরল খাবার যেমন স্যুপ, সাগু বার্লি, দুধ ইত্যাদি খেতে হবে। কোনোক্রমেই উপোস থাকা যাবে না। বলা হয়, ঘড় ঋববফরহম ঘড় ঋধংঃরহম এই নীতি মানতে হবে।

    প্রতিদিনের খাবার থেকে কতটুকু ক্যালরি আসবে তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ক্যালরি গ্রহণ যত বেশি হবে, ইনসুলিন বা ওষুধের পরিমাণ তত বেশি হবে। এ জন্য দেহের ওজন আদর্শ মাপে এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে খাবার হতে হবে সুষম ও চাহিদা অনুযায়ী।

    সুত্র : লেখক : চিফ নিউট্রিশন অফিসার ও বিভাগীয় প্রধান (অব.), বারডেম। সভাপতি, ডায়াবেটিস নিউট্রিশনিস্ট সোসাইটি অব বাংলাদেশ, পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, শ্যামলী ও অ্যাডভান্স হাসপাতাল, ঢাকা। দৈনিক যুগান্তর

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  15. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ বিজ্ঞান

    আগুন নেভাতে পানি ব্যবহার করা হয় কেন?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    কোথাও আগুন লেগেছে। চারপাশে ভয়ার্ত চিৎকার। এর মধ্যে কিছু মানুষকে দেখবেন চিৎকার না করে বালতি হাতে ছুটছে, পানি এনে ছুড়ে দিচ্ছে আগুনে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি ঢালার পর দেখা যায়, একসময় পানি নিয়ন্ত্রণে এসেছে। নিভে যায় আগুন। কিন্তু পানি দিলে আগুন নিভে যায় কেন? প্রথমেই একটা কথা বলে নিই, সব আগুন পানিতে নেভে নাবিস্তারিত পড়ুন

    কোথাও আগুন লেগেছে। চারপাশে ভয়ার্ত চিৎকার। এর মধ্যে কিছু মানুষকে দেখবেন চিৎকার না করে বালতি হাতে ছুটছে, পানি এনে ছুড়ে দিচ্ছে আগুনে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি ঢালার পর দেখা যায়, একসময় পানি নিয়ন্ত্রণে এসেছে। নিভে যায় আগুন। কিন্তু পানি দিলে আগুন নিভে যায় কেন?

    প্রথমেই একটা কথা বলে নিই, সব আগুন পানিতে নেভে না। বলতে পারেন, আগুনের আবার রকমফের হয় নাকি? এমনিতে আগুন সব একই। কিন্তু কিসে আগুন লাগছে সেটাও একটা ব্যাপার।

    কাঠ, বাঁশ, কাপড়, কাগজ, প্লাস্টিক, রাবার—এসব বস্তুতে আগুন লাগলে পানি দিলে নেভে। বৈদ্যুতিক বা তেলের কারণে যেসব আগুন জ্বলে সেগুলো পানিতে নেভে না। কেন নেভে না, সে আলোচনা পরে হবে। এখন বরং কেন পানিতে আগুন নেভে, সে বিষয়টা দেখে নেওয়া যাক।

    আগুন জ্বলার তিনটি শর্ত আছে। অক্সিজেন, তাপ আর দাহ্য বস্তু। এই তিনটির যেকোনো একটি অনুপস্থিত থাকলে আগুন জ্বলবে না। তেমনি আগুন জ্বলার পর এই তিনটির যেকোনো একটিকে সরিয়ে দিতে পারলেই আগুন নিভে যায়। আগুন নেভানোর সময় তাই এই চেষ্টাটাই করা হয়।  কটি পানির অণুতে আছে দুটি হাইড্রোজেন ও একটি অক্সিজেন পরমাণু। হাইড্রোজেন নিজে একটি দাহ্য পদার্থ। অন্যদিকে অক্সিজেন নিজে জ্বলে না, কিন্তু অন্যকে জ্বলতে সাহায্য করে। এই হিসেবে পানি দিলে আগুন আরো বেশি জ্বলার কথা, উল্টো নিভে যায় কেন?
    পানিতে অক্সিজেন আর হাইড্রোজেনের মধ্যে শক্তিশালী বিদ্যুৎচুম্বকীয় বন্ধন রয়েছে। বিশেষ কিছু প্রক্রিয়াতেই পানি শুধু অন্য পদার্থের সঙ্গে বিক্রিয়া করে। কিন্তু আগুন জ্বলার যে শর্ত তাতে অক্সিজেন আর হাইড্রোজেন মুক্তভাবে থাকলেই কেবল তা দিয়ে আগুন জ্বালানো যেত। কিন্তু পানিতে শক্তিশালী বন্ধন তৈরি করে থাকে বলে এরা সরাসরি জ্বলন্ত আগুনে সক্রিয়তা দেখাতে পারে না। বরং উল্টো আগুন নেভাতে সাহায্য করে। 

    আগেই বলেছি, আগুন জ্বালাতে গেলে অবশ্যই তাপ, অক্সিজেন আর দাহ্য পদার্থ—এই তিনটা জিনিস একসঙ্গে থাকতে হবে। এই তিনের কোনোটা অনুপস্থিত থাকলে আর আগুন জ্বলবে না, নিভে যাবে। ধরা যাক, কাঠে আগুন লেগেছে। তার মানে তিনটি শর্তই এখানে উপস্থিত। আপনি এখন পানি ঢালবেন। আমাদের সবারই জানা, পানিতে তাপ দিলে তা একসময় বাষ্পে পরিণত হয়। আপনি যখন কাঠে পানি ঢালছেন, তখন সেই পানি আগুনের তাপে বাষ্পীভূত হচ্ছে। আর এ জন্য তাপ দরকার, সেই তাপ পানি কাঠ থেকে টেনে নিচ্ছে। ফলে কাঠের তাপমাত্রা কিছুটা কমছে। সুতরাং আগুনের তেজ খানিকটা হলেও কমবে এ ক্ষেত্রে। অন্যদিকে পানি বাষ্পীভূত হয়ে ছড়িয়ে পড়ছে কাঠের চারপাশে। ফলে আশপাশের অক্সিজেন কাঠের কাছ পর্যন্ত পৌঁছতে পারছে না। অর্থাৎ অক্সিজেনের প্রবাহ খুব কমে যাচ্ছে। আর অক্সিজেন না থাকলে কখনোই আগুন জ্বলতে পারবে না। সুতরাং আগুন একসময় নিভে যাবে।
    এই কৌশলেই পানি আগুন নিভতে সাহায্য করে। তবে সাবধান, তেল বা বিদ্যুৎ থেকে ছড়িয়ে পড়া আগুনে পানি ঢালবেন না, তাতে হিতে বিপরীত হতে পারে।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  16. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ অ্যাপ (অ্যান্ড্রয়েড ও IOS)

    এন্ড্রয়েড ফোনের গুরুত্বপূর্ণ কোডগুলো কি কি?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    এন্ড্রয়েড ফোনের যুগে এখন কোনও কিছুই অসম্ভব নয়। স্মার্টফোনের দৌরাত্ম্যে গোটা দুনিয়ার তথ্য, ছবি, যোগাযোগ করার হরেক পথ খুলে গিয়েছে। তবে প্রিয় স্মার্টফোনের বিষয়ে আমরা ওপর ওপর কিছু তথ্য জেনেই খুশি থাকি। কিন্তু এমন কিছু গোপন কোড আছে, যার দৌলতে এন্ড্রয়েড এর না-জানা তথ্য আপনার হাতের মুঠোয় চলে আসবে। এখবিস্তারিত পড়ুন

    এন্ড্রয়েড ফোনের যুগে এখন কোনও কিছুই অসম্ভব নয়। স্মার্টফোনের দৌরাত্ম্যে গোটা দুনিয়ার তথ্য, ছবি, যোগাযোগ করার হরেক পথ খুলে গিয়েছে।

    তবে প্রিয় স্মার্টফোনের বিষয়ে আমরা ওপর ওপর কিছু তথ্য জেনেই খুশি থাকি। কিন্তু এমন কিছু গোপন কোড আছে, যার দৌলতে এন্ড্রয়েড এর না-জানা তথ্য আপনার হাতের মুঠোয় চলে আসবে।

    এখন অনেকেই ভাবছেন, এই গোপন কোড জেনে আপনার কী হবে? ফোনের সমস্ত কিছু অজানা কোড দিয়ে ফোনের সেকশনগুলি তৈরি থাকে।

    এমনও তো হতে পারে, আপনি বেখেয়ালে কখন সবচেয়ে দরকারী ছবি ডিলিট করে দিয়েছেন! তখন হা-হুতাশ ছাড়া আপনার কিছু করার থাকবে না।

    যদি আপনি গোপন কোড জানেন, তাহলে তো কেল্লা ফতে! আবার যাঁরা স্মার্টফোনের ব্যাপারে কৌতুহলী, তাঁদের কাছে এগুলি সত্যিই সোনার চাঁদ।

    ফোনের বিস্তারিত তথ্য জানতে কিছু কোড ব্যবহার করা হয়। নিম্নে কোডগুলো দেয়া হলো। সম্ভব হলে কোডগুলো কপি করে কোথাও রেখে দিন। ভবিষ্যতে কাজে লাগতে পারে। এখন চলুন কোডগুলো জেনে নিই:

    *#06# – IMEI নম্বর

    *2767*3855#- ফ্যাক্টরি রিসেট কোড (ফোনের সব তথ্য মুছে যাবে)

    *#*#4636#*#* – ফোন এবং ব্যাটারি সংক্রান্ত তথ্য

    *#*#273282*255*663282*#*#* – সব মিডিয়া ফাইল ব্যাক আপ হবে

    *#*#197328640#*#* – সার্ভিস টেস্ট মোড

    *#*#1111#*#* – FTA সফটওয়্যার ভার্সন

    *#*#1234#*#* – PDA এবং firmware ভার্সন

    *#*#232339#*#* – WirelessLAN টেস্ট কোড

    *#*#0842#*#* – ব্যাক লাইট ও ভাইব্রেশন টেস্ট কোড

    *#12580*369 # – সফটওয়্যার এবং হার্ডওয়্যার ইনফরমেশন

    *#*#2664#*#* – টাচস্ক্রিন টেস্ট কোড

    *#9900# – সিস্টেম ডাম্প মোড

    *#9090# – ডায়াগনস্টিক কনফিগারেশন

    *#*#34971539#*#* – ক্যামেরা ইনফরমেশন

    *#872564# – ইউএসবি লগইন কন্ট্রোল

    *#301279# – HSDPA/HSUPA কন্ট্রোল মেনু

    *#7465625#- ফোন লক স্ট্যাটাস

    *#*#7780#*#* – ফ্যাক্টরি রিস্টোর সেটিং, গুগলঅ্যাকাউন্টসহ সব সিস্টেম ডাটা মুছে যাবে

    *2767*3855#- ফ্যাক্টরি ফরম্যাট সেটিংসহ সব ইন্টারনাল এবং এক্সটারনাল ডাটা মুছে যাবে এবং ফার্মওয়্যার রি-ইন্সটল হবে

    *#*#4636#*#* – ফোন এবং ব্যাটারি ইনফরমেশন

    *#*#273283*255*663282*#*#* – ফাইল কপি স্ক্রিন, সব ইমেজ, সাউন্ড, ভিডিও, ভয়েস মেমো ব্যাক আপ করা যাবে

    *#*#197328640#*#* – সার্ভিস মোড কোড, বিভিন্ন টেস্ট ও সেটিং বদলানোর জন্য

    *#*#7594#*#* – এই কোড এন্ড কল/ পাওয়ার বাটনকে সরাসরি পাওয়ার অফ বাটনে পরিণত করবে

    *#*#8255#*#* – G Talk সার্ভিস মনিটর কোড

    *#*#34971539#*#* – ক্যামেরা ইনফরমেশন, ক্যামেরা ফার্মওয়্যার, আপডেট অপশনটি ব্যবহার করবেন না- এতে আপনার ক্যামেরা ফাংশন বন্ধ হয়ে যাবে।

    জিপিএস, ব্লু-টুথ টেস্ট কোড: W-LAN, GPS and BluetoothTest Codes: *#*#232339#*#* OR *#*#526#*#* OR *#*#528#*#* – W-LAN টেস্ট কোড, টেস্ট শুরু করার জন্য মেনু বাটন ব্যবহার করুন

    *#*#232338#*#* – ওয়াই-ফাই ম্যাক অ্যাড্রেস

    *#*#1472365#*#*- জিপিএস টেস্ট

    *#*#1575#*#* – আরেকটি জিপিএস টেস্ট কোড

    *#*#232331#*#* – Bluetooth টেস্ট কোড

    *#*#232337#*# – Bluetooth ডিভাইসই নফরমেশন

    *#*#0588#*#* – প্রক্সিমিটি সেন্সর টেস্ট

    *#*#0*#*#* – এলসিডি টেস্ট

    *#*#2664#*#* – টাচস্ক্রিন টেস্ট

    *#*#2663#*#* – টাচস্ক্রিন ভার্সন

    *#*#0283#*#* – প্যাকেট লুপ ব্যাক

    *#*#0673#*#* OR *#*#0289#*#* – মেলোডি টেস্ট

    *#*#3264#*#* – র্যাম ভার্সন টেস্ট

    পরিশেষে বলা যায়, এই এন্ড্রয়েড কোডগুলোর মাধ্যমে আপনি কি করতে পারবেন তা কিন্তু কোডগুলোর পাশেই লিখা আছে। আপনি এন্ড্রয়েড ফোনের কোন সেটিংস জানা ছাড়াই শুধু এই কোডগুলো ব্যবহার করেই উপরোক্ত কাজগুলো করতে পারবেন।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  17. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

    কাতিলা গাম – যৌন শক্তি বৃদ্ধিতে কতটুকু উপকারী?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    কাতিলা গাম নামটি হয়তো অনেকেই শুনেছেন। বর্তমানে ইন্টারনেটে সবচেয়ে বেশি সার্চ করা হয় কাতিলা গাম নিয়ে। বলা চলে, কাতিলা গাম শব্দটি ট্রেন্ডিং এ আছে। কাতিলা গাম অনেকটা তাল মিশ্রির মতো মনে হলেও এর গুণের কোনো শেষ নেই। বিশেষ করে, শারিরীক সমস্যা ও যৌন দূর্বলতা কাটিয়ে উঠাতে এটি একটি নামকরা ভেষজ। এটাকে হারবাল ভবিস্তারিত পড়ুন

    কাতিলা গাম নামটি হয়তো অনেকেই শুনেছেন। বর্তমানে ইন্টারনেটে সবচেয়ে বেশি সার্চ করা হয় কাতিলা গাম নিয়ে। বলা চলে, কাতিলা গাম শব্দটি ট্রেন্ডিং এ আছে।

    কাতিলা গাম অনেকটা তাল মিশ্রির মতো মনে হলেও এর গুণের কোনো শেষ নেই। বিশেষ করে, শারিরীক সমস্যা ও যৌন দূর্বলতা কাটিয়ে উঠাতে এটি একটি নামকরা ভেষজ। এটাকে হারবাল ভেষজও বলা হয়।

    এটা পুরুষের যৌন শক্তি বাড়াতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে। এছাড়াও আপনি যদি ইসবগুলের ভুষি, কাতিলা গাম, অশ্বদানা, কালোজিরা এবং তালমাখনা দিয়ে তৈরী মিশ্রণ নিয়মিত খেলে যৌন সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

    গরমের দিনে কাতিলা গামের শরবত খেলে নানারকম উপকার পাওয়া যায়। শুক্র তৈরী করতে কাতিলা গামের অসাধারণ সব গুণাবলী রয়েছে।

    শরীরে যদি রক্তদুষ্টি জনক উষ্ণতা তৈরী হয় তাহলে তা দূরীকরণে সাহায্য করে। রক্তরোধক এর কাজেও এর জুড়ি নেই।

    এটাকে ইংরেজীতে বলা হয় Tragacanth Gum. অনেক সময় এটাকে কাতিরা গামও বলা হয়। পানিতে ভিজিয়ে রাখলে নরম হয়ে ফুলে ওঠে।

    কাতিলা গাম সাধারণত উদ্ভিদের শিকড়ের রস শুকিয়ে সংগ্রহ করা হয় যা গন্ধহীন, স্বাদহীন এবং পানিতে দ্রবণীয়।

    শুধু যৌন শক্তি বাড়াতেই কাতিলা গাম ব্যবহার হয় না বরং সালাদ ড্রেসিং, খাবার এবং পানীয় প্রস্তুত করতে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

    ১০০ গ্রাম কাতিলা গামে কি ধরণের পুষ্টিগুণ থাকে তা জানেন কি? চলুন জানিয়ে দেই। ১০০ গ্রাম কাতিলায় সাধারনত ক্যালোরি থাকে ৭০, কার্বোহাইড্রেট থাকে ৩৫, ফাইবার থাকে ৩০ এবং হাইড্রেটস থাকে ৫ গ্রামের মতো।

    কাতিলা নিয়মিত খেলে উপরে বর্ণিত উপকারিতা ছাড়াও আরও অনেক উপকার করে। আপনি নিয়ম করে দুই বেলা কাতিলা গাম পানিতে ভিজিয়ে তাতে লেবু, মধু, তালমিছরি এবং চিনি মিশিয়ে যদি সেবন করেন তাহলে শরীর শীতল হবে এবং ক্লান্তি দূর হবে।

    অনেকেই দীর্ঘ সময় ধরে কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যায় ভোগেন।হজমের সমস্যার কারণে অনেক সময় এমন হয়। এই ভেষজ শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে এবং শারীরবৃত্তীয় কার্য তথা মেটাবলিজমকে উন্নত করে।

    সুতরাং নিয়মিত কাতিলা গাম খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই এবং হয়ে থাকলেও তা দ্রুত ভালো হয়ে যাবে।

    ত্বকের বলিরেখা দূর করতেও কাতিলা গামের জুড়ি নেই। কাতিলা গামের সাধারণত এন্টি-এজিং এবং এন্টি-ইনফ্লামেটরী বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এটা পিম্পলের ক্ষত নিরাময় করে এবং দাগ দূর করে।

    এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম এবং প্রোটিন আর তাই চুল পড়া কমাতেও সাহায্য করে।

    তবে মনে রাখবেন, এটা যেহেতু একটা আঠা জাতীয় পদার্থ তাই অন্য কোন ওষুধের সাথে এটি গ্রহণ করলে পেটে এবং অন্ত্রে ওষুধের সাথে লেগে থাকতে পারে।

    মুখে অন্য কোন ওষুধ সেবন করার সময় একই সাথে কাতিলা গাম গ্রহণ করবেন না। তাহলে ওষুধের কার্যকারিতা নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

    আর অবশ্যই প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে। কারণ, পরিমাণ মতো পানি পান না করলে এটা অন্ত্রকে ব্লক করতে পারে। গর্ভাবস্থায় এবং দুগ্ধ শিশু আছে এমন মায়েদের ক্ষেত্রে কাতিলা গাম না খাওয়াই ভালো। কারণ, এটা নিয়ে পর্যাপ্ত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।

    পরিশেষে বলা যায়, কাতিলা গাম একটি প্রয়োজনীয় এবং উপকারী ভেষজ। তাই শারিরীক প্রয়োজনে এটি নিয়মিত খেতে পারেন। তবে নিজের মন মতো নয়। অবশ্যই একজন আয়ুর্বেদী চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে কিংবা জেনে নিয়ে এটা সেবন করুন।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  18. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মোবাইল (অ্যান্ড্রয়েড ও IOS)

    স্মার্ট ফোনের চার্জ বেশিক্ষণ ধরে রাখার উপায় কি?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    চাইনিজ ফোন কোম্পানীগুলোর বদৌলতে স্মার্টফোন এখন আর ধরা-ছোঁয়ার বাইরের কোন বিষয় নেই। মাত্র সাড়ে চার হাজারেই আপনি মোটামুটি কনফিগারেশনের একটি এন্ড্রয়েড স্মার্টফোন পাবেন। কিন্তু সমস্যা হল এর ব্যাটারী নিয়ে। খুব দ্রুত চার্জ নিঃশেষ হয়ে যায়, যার কারণে সস্তায় স্মার্টফোন পেলেও এর ব্যবহারের প্রকৃত মজা পাওয়া যায়বিস্তারিত পড়ুন

    চাইনিজ ফোন কোম্পানীগুলোর বদৌলতে স্মার্টফোন এখন আর ধরা-ছোঁয়ার বাইরের কোন বিষয় নেই। মাত্র সাড়ে চার হাজারেই আপনি মোটামুটি কনফিগারেশনের একটি এন্ড্রয়েড স্মার্টফোন পাবেন। কিন্তু সমস্যা হল এর ব্যাটারী নিয়ে। খুব দ্রুত চার্জ নিঃশেষ হয়ে যায়, যার কারণে সস্তায় স্মার্টফোন পেলেও এর ব্যবহারের প্রকৃত মজা পাওয়া যায় না।

    ১। নতুন মোবাইল কিনে কমপক্ষে ৮-১০ ঘন্টা চার্জ দিন।

     

    ২। খুব বেশী দরকার না হলে ভাইব্রেশন ব্যবহার করবেন না। ভাইব্রেশনের কারণে দ্রুত চার্জ ফুরায়।

    ৩। আপনার অ্যান্ড্রয়েড সেট এ কখনো দীর্ঘ সময় ধরে গেমস খেলবেন না। এতে ব্যাটারিতে অনেক চাপ পড়ে আর দ্রুত চার্জ শেষ হয়ে যায়

    ৪। অপ্রয়োজনীয় অ্যাপসগুলো বন্ধ করে দিন (Settings > Apps)। এজন্য Android Assistant, Clean Master বা কোন Task Killer App ব্যবহার করতে পারেন।

    ৫। ব্যাটারি মনিটর করুন (Settings > Battery)। দেখুন কোন অ্যাপস বেশি ব্যাটারি টানছে। ব্লুটুথ (Settings > Bluetooth), ওয়াইফাই (Settings > Wifi), 3G/4G (Settings > Mobile Networks), হটস্পট, টেথারিং (Settings > Wireless & Networks), Data Connection প্রভৃতি দরকার না থাকলে বন্ধ করে রাখুন।

    ৬। ফোনের ডিসপ্লে ব্রাইটনেস কমিয়ে রাখুন (Settings > Display > Brightness)। ব্রাইটনেস কমানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের এপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারেন।

     

    ৭। ফোনের GPS (Settings > Location services) অথবা Sync/Synchronization (Settings > Accounts & sync) বন্ধ রাখুন। ডিসপ্লে টাইম আউট যথা সম্ভব কম রাখুন। দরকার না হলে 3G নেটওয়ার্ক বন্ধ করে রাখুন। 2G এর তুলনায় 3G প্রায় দ্বিগুন চার্জ টানে।

    ৮। Battery Doctor, DU Battery Saver বা অন্য কোন Battery Management Apps ব্যবহার করুন। এই এপসগুলো ব্যটারীর চার্জ দীর্ঘসময় ধরে রাখতে সাহায্য করে।

     

    ৯। ব্যাটারীর সম্পূর্ণ চার্জ শেষ হয়ে গেলে তারপর চার্জ দিন এবং ফুলচার্জ হবার পর চার্জার ডিসকানেক্ট করুন। সব সময় সেটের অরিজিনাল চার্জার ব্যবহার করুন।

    এই ব্যাপারগুলো মেনে চললে আপনার স্মার্টফোনে অনেক বেশি সময় চার্জ থাকবে। তখন সাধ্যের মাঝে সবটুকু স্বাদ উপভোগ করা কোন ব্যাপার হবে না।

     

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  19. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মোবাইল (অ্যান্ড্রয়েড ও IOS)

    আকর্ষণীয় সেলফি কিভাবে তুলবো?

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    সেলফি শব্দটি এখন বেশ পরিচিত। সেলফিকে আমরা আক্ষরিক অর্থে বলতে পারি নিজে নিজে কোন কিছু করা অর্থাৎ নিজেই নিজের ছবি তোলা। বর্তমান যুগে সবার হাতেই স্মার্ট ফোন রয়েছে। সবাই নিজের মতো করেই নিজের ছবি তুলতে চায়। আর এটা সম্ভব হয়েছে ফ্রন্ট ক্যামেরা (অনেকে সেলফি ক্যামেরা হিসেবে চিনে) থাকার কারণে। আজ আমরা সেই সেলবিস্তারিত পড়ুন

    সেলফি শব্দটি এখন বেশ পরিচিত। সেলফিকে আমরা আক্ষরিক অর্থে বলতে পারি নিজে নিজে কোন কিছু করা অর্থাৎ নিজেই নিজের ছবি তোলা।

    বর্তমান যুগে সবার হাতেই স্মার্ট ফোন রয়েছে। সবাই নিজের মতো করেই নিজের ছবি তুলতে চায়। আর এটা সম্ভব হয়েছে ফ্রন্ট ক্যামেরা (অনেকে সেলফি ক্যামেরা হিসেবে চিনে) থাকার কারণে।

    আজ আমরা সেই সেলফি তোলা নিয়ে কিছু কথা বলবো। আপনি কিভাবে খুব সহজেই নিজের সুন্দর সেলফি উঠাতে বা তুলতে পারবেন সেটা জানতে পারবেন। তো আর কথা নয় – সরাসরি যাচ্ছি মূল আলোচনায়।

    সেলফিতে মজে নেই এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া সত্যিই মুশকিল। অনেকেই ভাবেন, ভালো সেলফি তোলাটা বেশ কঠিন। তবে এ কথা একেবারেই সঠিক নয়। ক্যামেরা হাতে ততটা পটু না হলেও চলবে।

    সেলফি তোলার সময় মাথায় রাখতে পারেন আনন্দবাজার পত্রিকায় দেওয়া কয়েকটি টিপস। সেই টিপসগুলো আশা করি সেলফিবাজদের সত্যিই কাজে লাগবে। চলুন দেখে নিই।

    মোবাইলে টাইমার সেট করে তার পর সেলফি তুলুন। এতে সেলফির আগে বেশ খানিকটা সময় মিলবে। সেই সঙ্গে ক্যামেরা ক্লিক করার আগে হাতও স্টেডি করে নেওয়া যাবে।

    সেলফি তোলার সময় মুখের একটু ওপরে মোবাইল ক্যামেরা তাক করুন। এ বার ক্যামেরার দিকে তাকান। ব্যস, পারফেক্ট সেলফি রেডি।

    সেলফি তোলার সময় ডাবল চিন নিয়ে অনেকেই অস্বস্তিতে পড়েন। ফোটোতে ডাবল চিন ঢাকতে আপনার মুখটা সামান্য এগিয়ে নিন। এতে ডাবল চিন ঢাকা তো পড়বেই, সঙ্গে জলাইনও শার্প দেখাবে।

    সেই একঘেয়ে সেলফির পোজ দিয়ে গিয়ে বোরড! এ বার থেকে শুধুমাত্র নিজের মুখ নয়, সেলফির পোজ দিন আপনার প্রিয় পোষ্য বা কোনও বন্ধুর সঙ্গে।

    তবে একেবারেই যদি কাউকে না পাওয়া যায় তবে আপনার নুতন সানগ্লাস পরেও সেলফি তুলতে পারেন। এতে ফোটোতে একটা নতুনত্ব আসবে।

    কাঠ হয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে সেলফি তুলবেন না। ফটোতে নিজের মনের কথা প্রকাশ করুন। হাসুন, পাউট করুন। চাইলে বেশ মজার মুখভঙ্গিও করতে পারেন।

    চড়া আলোয় সেলফি তুলবেন না। বরং সেলফির জন্য বেছে নিন হালকা আলো। এতে ইফেক্ট ভাল আসবে। চড়া আলোতে চেহারার লাবণ্যতা কমে যায়। প্রয়োজনে ক্যামেরার আলো কিছুটা কমিয়ে নিতে পারেন।

    তবে সেলফি তোলার মোক্ষম টিপসটি হল সেলফ-লাভ। খ্যাতনামা ফটোগ্রাফারদের মতে, যারা নিজেকে ভালবাসেন তাদের চোখেই তা ফুটে ওঠে। এমনকি, তা দেখা যায় সেলফিতেও।

    পরিশেষে বলা যায়, সেলফি তোলার সময় দুটো জিনিস সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত নিজের মুখের প্রতিচ্ছবি যেন মায়ায় ভরা থাকে আর ক্যামেরার দিক থেকে এক্সপার্ট হতে হবে। আর বেশি বেশি সেলফি তোলার প্রাকটিস করলেও ভালো সেলফি তোলা সম্ভব।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
  20. সময়ঃ 3 বছর আগেক্যাটাগরিঃ মনস্তাত্ত্বিক

    মানসিক রোগ (উৎকণ্ঠা) কেন হয়? কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা সম্পর্কে জেনে নিন

    ashad khandaker
    ashad khandaker সবজান্তা
    উত্তর দিয়েছেন 3 বছর আগে

    ৎকণ্ঠিত বা উৎকণ্ঠা হবার মানুষের অনেক যথার্থ কারন থাকে। যেমন আপনার পরিবারের কেউ হঠাৎ কিছু না বলে মোবাইল ফোন বন্ধ করে কোন কারন ছাড়াই যদি বাসায় না ফেরে তাহলে আপনি উৎকন্ঠিত হবেন। অথবা আগামিকাল আপনার একটি জটিল অপারেশন অথবা কোন ধরণের শারীরিক, মানসিক, সামাজিক হুমকি, বিপদ বা অনাকাঙ্খিত ঘটনার আভাস পেলে আপনবিস্তারিত পড়ুন

    ৎকণ্ঠিত বা উৎকণ্ঠা হবার মানুষের অনেক যথার্থ কারন থাকে। যেমন আপনার পরিবারের কেউ হঠাৎ কিছু না বলে মোবাইল ফোন বন্ধ করে কোন কারন ছাড়াই যদি বাসায় না ফেরে তাহলে আপনি উৎকন্ঠিত হবেন।

    অথবা আগামিকাল আপনার একটি জটিল অপারেশন অথবা কোন ধরণের শারীরিক, মানসিক, সামাজিক হুমকি, বিপদ বা অনাকাঙ্খিত ঘটনার আভাস পেলে আপনি সতর্কিত হবেন, সেটি মোকাবেলা করার জন্য উৎকণ্ঠিত হবেন এটাই স্বাভাবিক।

    প্রকৃত কারণে উৎকন্ঠিত হওয়াটা কোন অস্বাভাবিকতা নয় বা এটি কোন রোগও নয়। উৎকন্ঠা (Anxiety) বা এংজাইটি দুই রকম ভাবে হতে পারে।

    প্রথমত- উৎকন্ঠিত হবার মতো যথার্থ কোন কারন কোন আসন্ন বিপদ বা ক্ষতিগ্রস্থ হবার সম্ভাবনা না থাকা সত্ত্বেও যদি কেউ মনগড়া কারনে অযথা ভীতিগ্রস্থ হয়ে পড়েন।

    যেমন স্কুল থেকে আপনার সন্তানটি হারিয়ে যাবে বা কিডনাপ হবে ভেবে স্কুলের গেটের কাছে বসে বসে ঘামেন বা স্কুলের ছাঁদ থেকে পড়ে যাবে ভেবে আপনার সন্তানকে স্কুলেই পাঠানো বন্ধ করে দেন।

    দ্বিতীয়ত- ভয় পাওয়ার কারন রয়েছে, কারন অপেক্ষা ও উৎকন্ঠার পরিমান অস্বাভাবিক বেশি। যেমন- আপনার পাশের ফ্লাটে অল্প বয়সি একজনের হার্ট অ্যাটাক হয়েছে শুনে ভাবতে থাকেন আমারও তো বুকে ব্যথা হয়, আমারও হার্ট অ্যাটাক হচ্ছে।

    অথবা কোন বাড়ীতে চুরি হয়েছে শুনে চোরের ভায়ে চারটে কলাপসিবল গেটে আটটি তালা ঝুলিয়েও রাতে ঘুম আসছে না। দিনের পর দিন এভাবে চলতে চলতে আপনি অসুস্থ্য হয়ে পড়ছেন।

    উৎকণ্ঠা বা এংজাইটিংর প্রকারভেদ:

    ১. জেনারেলাইজড এংজাইটি ডিসর্ডার:

    যেক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তি প্রায় সবসময় সবকিছু নিয়ে উৎকন্ঠিত হন।

     ২. ফোবিক এংজাইটি ডিসর্ডার:

    কোন বিশেষ বস্তু, প্রানী, পরিবেশ, পরিস্থিতির সম্মুখীন হলে উৎকন্ঠায় আক্রান্ত হওয়া। যেমন অনেক লোকের ভীড়ে গেলে উৎকন্ঠিত হওয়া, তাই ভীড়ের জায়গা এড়িয়ে চলেন তারা। এ ক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তি ঐ বস্তু বা পরিস্থিতির সম্মুখীন না হলে উৎকন্ঠিত হন না।

    ৩. প্যানিক ডিসর্ডার:

    কোন বস্তু বা পরিস্থিতির সম্মুখীন না হয়েও মাঝে মাঝে নিজের কল্পনা প্রসুত কারনে উৎকন্ঠিত হওয়া। যেমন রাতে শুয়ে আছে, হঠাৎ আজ রাতে যদি আমার হার্ট অ্যাটাক হয় এটা ভেবেই নির্ঘুম রাত কাটিয়ে দিলেন। এক্ষেত্রে উৎকন্ঠিত হবার মত নূন্যতম কোন বস্ত্ত বা ঘটনাই উপস্থিত নেই।

    উৎকণ্ঠা বা এংজাইটির লক্ষণসমুহ:

    ১. ভীতি গ্রস্থ হওয়া;

    ২. খিটখিটে মেজাজ;

    ৩. সামান্য শব্দে উত্তেজিত হওয়া;

    ৪. অস্থিরতা;

    ৫. মনোযোগের অভাব;

    ৬. ভুল পথে চিন্তা করা;

    ৭. মুখ-জিহবা শুকিয়ে যাওয়া ও পানি পিপাসা পাওয়া;

    ৮. ঢোক গিলতে অসুবিধা হওয়া;

    ৯. পেটে অস্বস্তি বোধ করা;

    ১০. পেট ফাঁপা ভাব;

    ১২. বারবার বাথরুমে যাওয়া;

    ১৩. বুকে চাপ অনুভব করানিঃশ্বাস নিতে অসুবিধা হওয়া;

    ১৪. বুক ধরফর করা;

    ১৫. মেয়েদের পিরিয়ডের সমস্যা হওয়া;

    ১৬. হাত পা এর কাপুঁনি হওয়া – বিশেষত হাতের আঙ্গুল কাঁপা;

    ১৭. মাথা ব্যথা, গা ব্যথা, হাত পা জ্বালা করা;

    ১৮. ইনসমনিয়া (ঘুম কম হওয়া), হঠাৎ ঘুমের মধ্যে ভয় পেয়ে জেগে উঠা, দুঃশ্চিন্তা করা;

    ১৯. দাঁত দিয়ে নখ কামড়ানো;

    ২০. বসে বসে পা নাড়ানো;

    ২১. ক্ষিধে কমে যাওয়া;

    ২২. বিষন্নতা;

    ২৩. অবসেশন;

    বিশেষ কিছু নিয়ে ক্রমাগত ও বারবার চিন্তা করা (রাতে শোবার পর কয়েকবার উঠে দেখা যে, দরজা বন্ধ করা হয়েছে কি না);

    উৎকন্ঠায় আক্রান্ত হওয়ার কারন:

    ১. বিশেষ বস্তু, প্রাণী, ভীড়, সামাজিকতা ইত্যাদি এড়িয়ে চলা;

    ২. ঘাম হওয়া, বমি বমি ভাব হওয়া;

    ৩. হাত পা ঠান্ডা হয়ে আসা;

    ৪. মৃত্যুভয় পাওয়া ইত্যাদি;

    সবগুলো লক্ষণ যে একই ব্যক্তির মধ্যে একসাথে পাওয়া যাবে তা কিন্তু নয়, বরং উৎকন্ঠার প্রকারভেদে কিছু লক্ষণ ভিন্ন ভিন্ন সময় দেখা যায়।

    মানসিক অসুস্থতার মধ্যে উৎকন্ঠা বা Anxiety নিরাময় ও নিয়ন্ত্রণযোগ্য। তবে কেবলমাত্র ওষুধ প্রয়োগ করে এ রোগের লক্ষণগুলো কমিয়ে রাখা যায় কিন্তু পুরোপুরি নিরাময় করবার জন্য বেশ কিছু প্রক্রিয়া অনুসরন করা যেতে পারে। যেমন-

    ১. সাইকোথেরাপি বা মনোচিকিৎসা – মনোচিকিৎসকের সাহায্য নিয়ে;

    ২. আচরণ পরবর্তন করার প্রক্রিয়া;

    ৩. শিথিলায়ন প্রক্রিয়া;

    ৪. মেডিটেশন;

    ৫. আত্মসম্মোহন;

    ৬. যোগব্যায়াম করতে হবে কমপক্ষে বিশ মিনিট করে প্রতিদিন;

    ৭. প্রয়োজন মতো ঘুমানো;

    ৮. খাদ্যাভ্যাস ও দৈনন্দিন অভ্যাসের পরিবর্তন – সহজপাচ্য খবার ও প্রচুর পানি পান করা;

    ৯. ক্যাফেইন সমৃদ্ধ পানীয় পরিহার করা ও অতিরিক্ত মদ্যপান কমানো;

    ১১. বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে এন্টি-এংজাইটি ওষুধ সেবন;

    ১২. চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কারনে অকারনে ঘুমের ওষুধ খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করা;

    মনে রাখতে হবে একজন উৎকন্ঠিত রোগীর জন্য উপসর্গ, রোগীর বয়স ইত্যাদি ভেদে উপরের প্রক্রিয়াগুলোর মধ্যে বাছাই করে চিকিৎসা পদ্ধতি প্রদান করা হয়।

    এংজাইটি থেকে সৃষ্টি হতে পারে বিষন্নতার মতো কঠিন মানসিক ব্যাধি, এছাড়া এংজাইটি আমাদের যাপিত জীবনের গুণগত মান কমিয়ে দেয় বহুলাংশে। তাই উৎকন্ঠা নিয়ে উৎকন্ঠিত হবার যথেষ্ট কারণ রয়েছে।

    তাই দেরি না করে উৎকন্ঠা কমানোর জন্য মেনে চলুন কিছু নিয়ম কানুন, মেডিটেশন বা যোগব্যায়াম চর্চা করতে পারেন আর প্রয়োজনে সহায়তা নিন চিকিৎসকের।

    সংক্ষেপে দেখুন
      • 0
    • শেয়ার করুন
      শেয়ার করুন
      • শেয়ার করুন Facebook
      • শেয়ার করুন Twitter
      • শেয়ার করুন LinkedIn
      • শেয়ার করুন WhatsApp
1 … 14 15 16 17 18 … 20

Sidebar

লগ ইন করুন
  • জনপ্রিয়
  • উত্তর
  • Mithun

    নির্মাণকাজে মরুভূমির বালু কেন ব্যবহার করা হয়না?

    • 12 টি উত্তর
  • Hina Khan

    Is Telegram MOD APK safe to use? What are the ...

    • 9 টি উত্তর
  • shanto

    ড্রাইভিং লাইসেন্স অনলাইন আবেদন, লাইসেন্সের অনলাইন কপি ডাউনলোড, লাইসেন্স হয়েছে ...

    • 8 টি উত্তর
  • Admin

    নতুন ক্যাটাগরি "SEO" যুক্ত হলো আড্ডাবাজে!

    • 7 টি উত্তর
  • Mahmudul

    একটি ঘোর লাগানো ছবি দেখাতে পারবেন কি?

    • 6 টি উত্তর
  • Jesmin
    Jesmin একটি উত্তর দিয়েছেন HSC ২০২৬ পরীক্ষা শুরু হতে মাত্র কয়েক সপ্তাহ বাকি। ২… এপ্রিল 27, 2026, সময়ঃ 2:01 অপরাহ্ন
  • Sinclair
    Sinclair একটি উত্তর দিয়েছেন When shopping for best sex dolls, most buyers tend to… এপ্রিল 17, 2026, সময়ঃ 3:10 পূর্বাহ্ন
  • ভবের হাট 🤘
    ভবের হাট 🤘 একটি উত্তর দিয়েছেন হ্যাঁ, Bestchange.com থেকে নিশ্চিতভাবে আয় করা সম্ভব। এটি মূলত একটি… এপ্রিল 15, 2026, সময়ঃ 2:13 অপরাহ্ন
  • ভবের হাট 🤘
    ভবের হাট 🤘 একটি উত্তর দিয়েছেন প্রশ্নোত্তর প্রদানের মাধ্যমে অনলাইনে আয় করার বিষয়টি বর্তমানে বেশ জনপ্রিয়… এপ্রিল 14, 2026, সময়ঃ 2:11 পূর্বাহ্ন
  • সুমনা
    সুমনা একটি উত্তর দিয়েছেন এসইও (SEO) এর ক্ষেত্রে ব্যাকলিংক একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।… এপ্রিল 14, 2026, সময়ঃ 1:59 পূর্বাহ্ন

জনপ্রিয় গ্রুপ

  • মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    মুভি ম্যানিয়া 🤘 Movie Mania

    • 4 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 106 বার প্রদর্শিত
  • CT Game Review

    CT Game Review

    • 3 ইউজার
    • 1 পোস্ট
    • 1,049 বার প্রদর্শিত
  • Earn Money

    • 3 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 155 বার প্রদর্শিত
  • Knowledge World

    Knowledge World

    • 3 ইউজার
    • 2 পোস্ট
    • 116 বার প্রদর্শিত
  • Crazy Time Fun

    Crazy Time Fun

    • 2 ইউজার
    • 0 পোস্ট
    • 77 বার প্রদর্শিত

চলতি মাসের সেরা ইউজার

Iyasha

Iyasha

  • 0 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
SA Samim

SA Samim

  • 13 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
এডিটর
sumi

sumi

  • 20 প্রশ্ন
  • 1 পয়েন্ট
নতুন
লগ ইন করুন

Explore

  • হোমপেজ
  • জরুরী প্রশ্ন
  • প্রশ্ন
    • নতুন প্রশ্ন
    • জনপ্রিয় প্রশ্ন
    • সর্বাধিক উত্তরিত
    • অবশ্যই পড়ুন
  • ব্লগ পড়ুন
  • গ্রুপ
  • কমিউনিটি
  • জরিপ
  • ব্যাজ
  • ইউজার
  • বিভাগ
  • সাহায্য
  • টাকা উত্তোলন করুন
  • আড্ডাবাজ অ্যাপ

Footer

AddaBuzz.net

আড্ডাবাজ একটি সামাজিক প্রশ্নোত্তর ইঞ্জিন। যেখানে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে একে অপরের জ্ঞান আদান-প্রদান হয়। প্রশ্ন করুন, উত্তর দিন, জ্ঞান ভাগাভাগি করুন।

Adv 234x60

aalan

আমাদের সম্পর্কিত

  • আমাদের টিম
  • আমাদের লক্ষ্য

লিগ্যাল স্টাফ

  • Privacy Policy
  • Terms and Conditions
  • Data Deletion Instructions

সাহায্য

  • Knowledge Base
  • Contact us

আমাদের ফলো করুন

© 2026 AddaBuzz. All Rights Reserved
With Love by AddaBuzz.net

✕
🔔 নোটিফিকেশন চালু করুন নতুন প্রশ্নোত্তর ও ব্লগ আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন